কিম চেন ইরের জ্যেষ্ঠ পুত্র কিম যোং নামের সঙ্গে সাক্ষাত্কার এবং ই-মেইল পত্রবিনিময়ের ভিত্তিতে লেখা বইয়ে জাপানী সাংবাদিক ইওজি গোমী বলেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এবং অন্যন্য দেশকে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনা পৌছানো উচিত. উত্তর কোরিয়ার শাসক পরিবারের এ সদস্যের ধারণা, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনার প্রেরণা উত্তর কোরিয়ায় যারা আলোচনা চায়, তাদের অবস্থান দৃঢ় করবে. কিম যোং নাম মনে করেন যে নতুন নিষেধাজ্ঞা আর চাপ রাজনৈতিক চরমপন্থীদের ও উত্তেজনাকারীদের ক্ষমতা বাড়াবে. ২০১০ সালে নভেম্বর মাসে উত্তর কোরিয়ার সেনার দক্ষিণ কোরিয়ার ইয়োংপিয়োং দ্বীপে গোলাবর্ষণের পরে কিম চেন নাম লেখেন, “গোলাবর্ষণ সত্তেও দক্ষিণ কোরিয়া যথাযথ উত্তর দিতে পারে না অর্থনৈতিক পরিণামের জন্য. আমার মনে হয়, অযথাযথ উত্তরই হচ্ছে উত্তর কোরিয়ার আক্রমণের কারণ. এই দুর্বলতা উত্তর কোরিয়া বোঝে এবং এ রকম আক্রমণ যে-কোনো সময় আর যে-কোনো জায়গায় করতে পারে". জাপানী সাংবাদিকের কাছে পত্রে কিম চেন নাম আরও উলেখ করেন যে উত্তর কোরিয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবং এই রাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘকালীন চুক্তি স্বাক্ষর করতে চায়. তিনি আরো বললেন যে, “আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ়তর করার দরকার, এ কথা বোঝে উত্তর কোরিয়া”. কিম চেন নামের বয়স প্রাই ৪০ বছর, পিতার সঙ্গে মতভেদের জন্য তিনি অনেক দিন বিদেশে থেকেছেন. ২০০১ সালে জাল পাসপোর্ট নিয়ে জাপানে যাওয়ার চেষ্টার সময়ে তিনি কুনজরে পড়েছেন. এখন উত্তর কোরিয়ার প্রয়াত নেতার জ্যেষ্ঠ পুত্র চীনের বিশেষ প্রসাশনিক জেলা মাকাওতে (আওমেনে)বাস করছেন.