দক্ষিণ কোরিয়া উদ্বিগ্ন যে, ইরানের বিরুদ্ধে তেল সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা প্রবর্তনের ক্ষেত্রে পৃথিবীতে তেলের মূল্য গুরুতরভাবে বাড়বে. তা বিশ্ব অর্থনীতি ক্ষুণ্ণ করতে পারে, মঙ্গলবার বলেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও বৈদেশিক বাণিজ্যমন্ত্রী কিম জে সিন. মঙ্গলবার সেওলে দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের সাথে মার্কিনী পররাষ্ট্র বিভাগের অস্ত্রসজ্জা প্রসার নিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত উপদেষ্টা রবার্ট এইনহর্নের আলাপ-আলোচনা হয়. এইনহর্নের নেতৃত্বে মার্কিনী প্রতিনিধিদল সেওলে পৌঁছেছে ইরান থেকে তেলের আমদানি কমানোর প্রয়োজনীয়তা সম্বন্ধে দক্ষিণ কোরীয় পক্ষকে বোঝানোর জন্য. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিম ইউরোপ ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা হিসেবে অন্যান্য দেশের দ্বারা ইরানের তেল কেনা কমানোর পরিকল্পনা করছে, যাতে তেহেরানকে তার পারমাণবিক কর্মসূচি ত্যাগ করতে বাধ্য করা যায়. “ইন্টারফাক্স” সংবাদ সংস্থা মনে করিয়ে দিচ্ছে যে, এমন পদক্ষেপে সম্মতি ইতিমধ্যে দিয়েছে জাপান, চীন চূড়ান্ত অসম্মতি জানিয়েছে. স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা মনে করেন যে, সেওল, যে নিরাপত্তার ব্যাপারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপর গুরুতরভাবে নির্ভরশীল, মার্কিনী দাবি মানতে বাধ্য হবে, যদিও ইরানী তেল তার মোট তেল আমদানির ১০ শতাংশ.