0অস্ট্রিয়া দেশের ইন্সব্রুক শহরে শুরু হয়েছে প্রথম শীত যুব অলিম্পিক. (১৩- ২২ জানুয়ারী) সমস্ত প্রতিযোগীদের বয়স ১৪ থেকে ১৮ বছর. আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির প্রকল্প এই যুব ক্রীড়া প্রতিযোগিতা. এই প্রতিযোগিতার লক্ষ্য ও কাজ হল – অল্প বয়সী খেলোয়াড়দের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্তরের প্রতিযোগিতা একসাথে আরও উন্নত ফলাফলের জন্য তৈরী করা. কারণ এই ধরনের প্রতিযোগিতা খুবই কম. যুব অলিম্পিক উত্সব আছে, বিশ্ব যুব ক্রীড়া প্রতিযোগিতাও ছিল, ইউনিভার্সিয়াড হয়ে থাকে, কিন্তু সেখানে বয়সের ব্যাপারটা গুলিয়ে গিয়েছে. আর এই প্রতিযোগিতায় বয়ঃসীমা একেবারে নির্দিষ্ট, আর খেলোয়াড়েরা অলিম্পিকের নিয়ম অনুযায়ী তৈরী খেলার সূচী মেনেই প্রতিযোগিতা করবে, তার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত রকমের অলিম্পিকের অনুষ্ঠান করা হবে: উদ্বোধন ও সমাপ্তি অনুষ্ঠান, অলিম্পিক শিখার প্রজ্জ্বলন, অলিম্পিকের পতাকা উত্তোলন ও সঙ্গীত অনুষ্ঠান. যুব সমাজ অলিম্পিক আন্দোলনের সাথে পরিচিত হবে. যুব অলিম্পিক ক্রীড়া প্রথমে হয়েছে গ্রীষ্মে. তা হয়েছিল ২০১০ সালে সিঙ্গাপুরে, যেখানে এসেছিল প্রতিযোগিতা করতে প্রায় তিন হাজারেরও বেশী খেলোয়াড়. তখন রাশিয়ার যুব খেলোয়াড়েরা দলগত ভাবে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছিল. এখন রাশিয়ার তরুণ তরুণীরা পদক জয়ের জন্য প্রতিযোগিতা করতে ইচ্ছুক ও ১৩টি অলিম্পিকের পদক সম্ভাব্য প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে. ৬৫টি দেশ থেকে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে এসেছে প্রায় এক হাজার খেলোয়াড়. যুব প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা সোচী শহরের ২০১৪ সালের শীত অলিম্পিকের পরিকল্পনার মতনই.


0    রাশিয়ার কিছু তরুণ খেলোয়াড় দুই বছর বাদে সোচী শীত অলিম্পিকের দলে ঢুকবে. এই যুব অলিম্পিক তাদের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হয়েছে সোচী অলিম্পিকের আগে কি রকম তৈরী হওয়া গেছে তা দেখার জন্য. অনেক ক্ষেত্রেই এটা অল্প বয়সী খেলোয়াড়দের জন্য আগামী প্রতিযোগিতায় নিজেদের দেশের প্রাপ্তবয়স্ক দলে অংশ নেওয়ার জন্য একটা তৈরী হওয়ার অধ্যায় হয়েছে.


0    ইন্সব্রুক শহরে অলিম্পিক প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠান যুব সমাজ ও তাদের পছন্দের কথা মাথায় রেখেই করা হয়েছে, এই প্রতিযোগিতার সঙ্গে পাশাপাশি আয়োজন করা হয়েছে সঙ্গীত উত্সবেরও. একই সঙ্গে এই প্রতিযোগিতার কাঠামোর মধ্যেই বেশ কিছু সাংস্কৃতিক ও শিক্ষা সংক্রান্ত কংগ্রেসের আয়োজন করা হয়েছে: এখানে নাচ ও ড্রাম বাজানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, পরিবেশ সংরক্ষণ ও যুব অলিম্পিক খেলায় উপস্থিত দেশ গুলির ঐতিহ্য নিয়ে গোল টেবিল বৈঠক হবে. তাছাড়া পোষাক তৈরী যারা করেছেন সেই সব শিল্পীরা খুবই চেষ্টা করেছেন এবারের খেলার সময়ে বিক্রীর জন্য গেঞ্জি, সোয়েটার ও টুপি আর অন্যান্য স্যুভেনির গুলিকে অলিম্পিকের লোগো সমেত খুবই রঙীণ ও আকর্ষণীয় করার. যুব অলিম্পিকের প্রধান রং গুলি হল – নীল, সবুজ, হলুদ ও রক্ত লাল.