রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের সচিব নিকোলাই পাত্রুশেভ বলেছেন যে, সিরিয়ার উপর পশ্চিমী দেশগুলির চাপ দামাস্কাসের তেহেরানের সাথে সহযোগিতা বন্ধ করার অনিচ্ছার সাথে জড়িত. ন্যাটো জোটের সদস্য দেশগুলি এবং পারস্য উপসাগরের কিছু আরব রাষ্ট্র “লিবিয়ার চিত্রনাট্য” অনুযায়ী প্রত্যক্ষ সামরিক হস্তক্ষেপের দ্বারা সিরিয়ার বর্তমান পরিস্থিতিতে হস্তক্ষেপ করতে চায়. এ সম্বন্ধে পাত্রুশেভ বৃহস্পতিবার বলেছেন “ইন্টারফাক্স” সংবাদ সংস্থাকে প্রদত্ত ইন্টারভিউতে. পাত্রুশেভ বলেন, “অবশ্য, এবারে মুখ্য আঘাত হানার শক্তি ফ্রান্স, ইংল্যান্ড ও ইতালি যোগাবে না, বরং সম্ভবত, যোগাবে সিরিয়ার প্রতিবেশী এবং সম্প্রতিকাল পর্যন্ত তার মিত্র দেশ তুরস্ক, যা ইরানের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে এবং যার বিশাল উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে. এ সম্ভাবনাও বাদ দেওয়া যায় না যে, “উড়ানবর্জিত এলাকার” বিভিন্ন ধরণ নিয়ে ওয়াশিংটন ও আঙ্কারা এখনই বিচার করছে, যেখানে সিরিয়ার বিদ্রোহীদের সশস্ত্র দল গঠিত ও সমবেত হতে পারবে”. সিরিয়া নিজে থেকেই নতুন “স্বার্থসম্বলিত কোয়ালিশনের” মনোযোগের লক্ষ্যস্থল হয়ে ওঠে নি. দামাস্কাসকে শাস্তি দিতে চাওয়া হচ্ছে বিরোধীপক্ষকে দমন করার জন্য ততটা নয়, যতটা তেহেরানের সাথে মৈত্রী সম্পর্ক ছিন্ন করার অনিচ্ছার জন্য, বলেন রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের সচিব.