মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আবার ইরানকে আহ্বান জানিয়েছে ইউরেনিয়াম পরিশোধন সংক্রান্ত কার্যকলাপ স্থগিত রাখার, আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি এজেন্সির সাথে সহযোগিতায় ফিরে আসার এবং রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত পালন শুরু করার. এ সম্বন্ধে মার্কিনী পররাষ্ট্র বিভাগের বিবৃতির উদ্ধৃতি দিয়ে মঙ্গলবার জানিয়েছে “রিয়া নোভস্তি” সংবাদ সংস্থা. এর প্রাক্কালে আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি এজেন্সি সরকারীভাবে এ খবর সমর্থন করেছে যে, ইরানের “ফোর্দু” কারখানায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম পরিশোধন নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে. ভিয়েনায় কূটনৈতিক উত্স সাংবাদিকদের জানিয়েছেন যে, ইরানী বিশেষজ্ঞরা “ফোর্দু” কারখানায় অন্ততপক্ষে এক সপ্তাহ আগে ইউরেনিয়াম পরিশোধন শুরু করেছেন. মার্কিনী পররাষ্ট্র বিভাগের প্রতিনিধি ভিক্টোরিয়া নুল্যান্ড মনে করিয়ে দেন যে, ঐ মান পর্যন্ত ইউরেনিয়াম পরিশোধন অগ্রহনীয়. তাঁর কথায়, “ফোর্দু-তে” ২০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম পরিশোধন উত্তেজনা আরও বাড়াবে এবং তা রাষ্ট্রসঙ্ঘ ও আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি এজেন্সির সিদ্ধান্তের সাথে জড়িত পারমাণবিক কর্মসূচি সংক্রান্ত বাধ্যবাধকতার লঙ্ঘন. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বিকাশ মেনে নিতে চায় না, জোর দিয়ে বলেন নুল্যান্ড. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমী দেশগুলি উদ্বিগ্ন যে, ইরান নিজের পারমাণবিক কর্মসূচি প্রণয়ন করে নিজস্ব পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারে. একই সঙ্গে, পেন্টাগনের প্রধান লেওন পানেট্টা “সি.বি.এস” টেলি-কোম্পানিকে প্রদত্ত ইন্টারভিউতে বলেন যে, ইরান বর্তমানে অস্ত্র তৈরীর পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কাজ করছে না এবং এখন তেহেরানের উপর কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ দেওয়া যুক্তিসঙ্গত হবে. ইরান ঘোষণা করেছে যে, সে শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কাজ করছে এবং পারমণবিক বিদ্যুত্শক্তি লাভের জন্য নিজের অধিকার ত্যাগ করবে না. একই সঙ্গে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলি আকবর সালেহি গত সপ্তাহে উল্লেখ করেছেন যে, তেহেরান নিজের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ছয়পাক্ষিক আলাপ-আলোচনা পুনরারম্ভ করতে প্রস্তুত. ইরানের সাথে আলাপ-আলোচনায় অংশগ্রহণ করছে রাষ্ট্রসঙ্ঘের পাঁচটি স্থায়ী সদস্য দেশ : রাশিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট-বৃটেন, ফ্রান্স ও চীন এবং তাছাড়া জার্মানি.