ইউরোপীয় সংঘের সদস্য দেশগুলি ইরান থেকে খনিজতেল আমদানী করার উপর নিষেধাজ্ঞা জারী করার ব্যাপারে ঐক্যমতে পৌঁছেছে. যদি তেহেরান তার পারমানবিক প্রকল্পের বিষয়ে বিশ্ব জনসমাজের সাথে সহযোগিতা না করে, তাহলে ঐ নিষেধাজ্ঞা জারী করা হবে. ব্রাসেলসে এক কূটনৈতিক সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে ফ্রান্স প্রেস সংবাদসংস্থা জানিয়েছে, যে এই ব্যাপারে ঐক্যমতে পৌঁছানো গেছে, তবে এখনো অনেক কাজ বাকি. ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলেন ঝুঁপে আশাপ্রকাশ করেছেন, যে ৩০শে জানুয়ারি ইউরোপীয় সংঘের সদস্য দেশগুলির পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকেই হয়তো নিষেধাজ্ঞা জারী করা সম্ভব হবে. মার্কিনী বিদেশদপ্তরের প্রতিনিধি ভিক্টোরিয়া নিউল্যান্ড ঘোষণা করেছেন, যে আমেরিকা আশা করে, যে যত বেশি সংখ্যক দেশ ইরান থেকে খনিজতেল আমদানীর উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আশা, যে নতুন করে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা ইরানের গলায় ফাঁস আরও শক্ত করবে এবং ইরানকে তার পারমানবিক নীতির বিষয়ে বিশ্ব জনসমাজকে সবকিছু জানাতে বাধ্য করবে. অন্যদিকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রক গতকাল আমেরিকার তরফ থেকে ইরানের সেন্ট্রাল ব্যাঙ্কের বিরূদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা জারী করার তীব্র সমালোচনা করেছে. চীন এটাকে একপাক্ষিক বলে মন্তব্য করেছে. টিমোথি গাইটনার আগামী সপ্তাহে চীন সফরে যাবেন. আশ করা হচ্ছে, যে আলোচনার অন্যতম মুখ্য বিষয় হবে ইরানের বিরূদ্ধে আমেরিকার জারী করা নতুন নিষেধাজ্ঞা.