মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতে, পারস্য উপসাগরে জাহাজ চলাচল সীমাবদ্ধ করে দেওয়া সম্পর্কে ইরানের হুমকি প্রমাণ করে, যে তেহেরানের বিপক্ষে নতুন আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা কাজে লেগেছে. আমেরিকার বিদেশদপ্তরের দৃঢ় ধারনা, যে ইরান তার পারমানবিক প্রকল্প গুটিয়ে নিতে অস্বীকার করার পরে, ইরানের উপর যে নিষেধাজ্ঞা জারী করা হয়েছে, সেটা ফলশ্রুত. এখন তেহেরান নাকি আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করতে চাইছে. ইরানের সামরিক কর্তৃপক্ষ গতকাল আমেরিকাকে এই বলে সতর্ক করে দিয়েছে, যে তারা যেন পারস্য উপসাগরে জাহাজবাহী নৌবহর না পাঠায়, তা নাহলে ইরান উল্টো ব্যবস্থা নেবে. হোয়াইট হাউসের প্রতিনিধি জেই কার্নি গত সন্ধ্যায় বলেছেন, যে ইরান ক্রমশঃ পৃথক হয়ে যাচ্ছে. মার্কিনী কূটনীতিবিদ উল্লেখ করেছেন, যে তেহেরান দুর্বলের ভূমিকায় অভিনয় করছে. ডিসেম্বরের মাঝামাঝি ইরান ঘোষণা করে, যে হোরমুঝ উপসাগরে তাদের সামরিক প্রশিক্ষণ চলাকালীন তারা ঐ উপসাগরে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেবে. ইরানের সামরিক নৌবাহিনীর ঐ প্রশিক্ষণ ২৪শে ডিসেম্বর শুরু হয় এবং ১০ দিন চলে. প্রশিক্ষণের ক্ষেত্র ছিল প্রায় ২ হাজার বর্গ কিলোমিটার – হোরমুঝ উপসাগর থেকে ওমান উপসাগর পর্যন্ত. অন্যদিকে বাহেরিনে ঘাঁটি গাড়া মার্কিনী পঞ্চম নৌবহর ঘোষণা করেছিল, যে তারা হোরমুঝ উপদ্বীপে জাহাজ চলাচলে কোনো প্রতিবন্ধকতা বরদাস্ত করবে না. হোরমুঝ উপসাগর হল পারস্য উপসাগর থেকে ইউরোপ ও আমেরিকায় খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহণের মূল সামুদ্রিক পথ.