তুরস্কের বিমান বাহিনী তুর্কী-ইরাক সীমানায় এক গ্রামের উপর আঘাত হেনেছে এবং অসাবধানতায় নিষিদ্ধ কুর্দ শ্রম পার্টির জঙ্গীদের বদলে স্থানীয় চোরাচালানকারীদের ধ্বংস করেছে. এ সম্বন্ধে প্রাক্কালে সন্ধ্যায় বলেছেন তুরস্কের ক্ষমতাসীন ন্যায় ও বিকাশ পার্টির উপ-সভাপতি হুসেইন চেলিক. তিনি জানান যে, বিমান বাহিনীর অভিযানের সময় “দুঃখজনক ঘটনা” ঘটেছে, কারণ বৈমানিকরা চোরাচালানকারীদের কুর্দ বিচ্ছিন্নতাবাদী বলে মনে করেছিল. তাঁর কথায়, যদি ভুল হয়ে গিয়ে থাকে, তাহলে কর্তৃপক্ষ নিহতদের আত্মীয়দের ক্ষতিপুরণ দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে. চেলিক যোগ করে বলেন যে, নিহতদের মধ্যে আছে কুর্দ স্বেচ্ছাসেবীদের ছেলেরা, যে স্বেচ্ছাসেবীরা তরস্কের কর্তৃপক্ষের অধীন এবং কুর্দ জঙ্গীদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করছে, আর তাছাড়া আছে অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মীর ছেলে. ক্ষমতাসীন পার্টির উপ-সভাপতি জোর দিয়ে বলেন, “আমরা পার্টির তরফ থেকে সমবেদনা জ্ঞাপন করছি”. তুরস্কের বিমান বাহিনী বৃহস্পতিবার ইরাকের সাথে সীমানায় কুর্দ গ্রামে বিমান আঘাত হানে. দেশের দক্ষিণ-পুবে শির্নাক প্রদেশের এই ওর্তাসু গ্রামে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ পরে ৩৫টি শবদেহ পেয়েছে. বিমান আঘাতে নিহতরা – ১৬ থেকে ২০ বছর বয়সী তরুণ, যারা ইরাক থেকে তুরস্কে তামাক ও খাদ্যদ্রব্যের চোরাচালান করত. তুরস্কের কর্তৃপক্ষ ১৯৮০-র দশক থেকে কুর্দ শ্রম পার্টির নেতৃত্বে কুর্দ বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের বিরুদ্ধে সংগ্রাম চালাচ্ছে. এ বিরোধিতার ফলে নিহত হয়েছে ৩০ হাজার জনের উপরে, তাদের বেশির ভাগই – কুর্দ.