জাপানের সরকার গত ১৭ই ডিসেম্বর কিম চেন ইরের মৃত্যুর পরে তার পুত্র কিম চেন ঈনের শাসনক্ষমতায় আসীন হওয়ার প্রক্রিয়ার উপর কড়া নজর রাখছে. আজ শুক্রবার জাপানী দূরদর্শন চ্যানেল এন.এইচ.কে. এই তথ্য জানিয়েছে. জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কোইটিরো জেম্বা বলেছেন, যে তিনি বিশেষ বিশেষ দপ্তরকে উত্তর কোরিয়ার ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ আরো জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং ঘটনার মোড় যে কোনো দিকে বাঁক নিতে পারে, এমনকি একেবারেই অপ্রত্যাশিত দিকে – সেজন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছেন. জাপানের সরকার ঘোষণা করেছে, যে তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া ও চীনের সাথে একসঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত, যাতে কিম চেন ইরের মৃত্যুর পরে কোরিয় উপদ্বীপে শান্তি ও স্থিতিশীলতার হানি না ঘটে. আশা করা যাচ্ছে, যে আগামী ১৬ই জানুয়ারি জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা কিম চেন ইরের মৃত্যুর পরে কোরিয় উপদ্বীপের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করার জন্য ওয়াশিংটনে সমবেত হবে.