মার্কিনী কর্তৃপক্ষ তেহেরানকে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে কোনো রকম বাধা সৃষ্টি করতে দেবে না, প্রাক্কালে বলা হয়েছে মার্কিনী নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের প্রেস-সার্ভিসে. ওয়াশিংটন বিশ্ব গুরুত্বের এই প্রণালীতে জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা লঙ্ঘন সহ্য করবে না. পঞ্চম নৌবহরের প্রতিনিধির কথায়, ইরানের ভীতি প্রদর্শন তেহেরানকে স্পষ্টভাবেই "আন্তর্জাতিক জনসমাজের কাঠামোর বাইরে" এনে ফেলে. মার্কিনী নৌবাহিনী এ অঞ্চলে নিজের সক্রিয় উপস্থিতি বজায় রাখতে চায়, যাতে ইরানের তরফ থেকে অস্থিতিশীলকারী ব্যবস্থায় বাধা দেওয়া যায় অথবা প্রত্যুত্তরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়, যোগ করে বলেন মার্কিনী নৌবাহিনীর অধিনায়কমন্ডলীর প্রতিনিধি. এর প্রাক্কালে ইরানের প্রথম উপ-রাষ্ট্রপতি মোহাম্মেদ রেজা রহিমি পাশ্চাত্যের দ্বারা ইরানী তেলের রপ্তানীতে একতরফা বাধানিষেধ প্রবর্তনের ক্ষেত্রে স্ট্র্যাটেজিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার ভয় দেখিয়েছিলেন. হরমুজ প্রণালী পারস্য উপসাগরকে ভারত মহাসাগরের সাথে যুক্ত করে. বিশ্বের তেল ও তৈলজাত দ্রব্যের রপ্তানীর প্রায় ৪০ শতাংশ এ প্রণালী হয়ে যায়.