ইরাকের রাষ্ট্রপতি জালাল তালাবানি ও সংসদের স্পিকার ওসামা আন-নাজাফি সর্বজাতীয় সম্মেলণ আহ্বাণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন. সম্মেলণ  দেশের আভ্যন্তরীন সংকটের অবসান ঘটাতে পারে, যে অবস্থায় মার্কিনী সেনাবাহিনী দেশ পরিত্যাগ করার পরে ইরাক পড়েছে. গত সপ্তাহে বাগদাদে উপ-রাষ্ট্রপতি তারিক আল-হাশিমির বিরূদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারী করার পরে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে. তার রাজনৈতিক বিরোধীরা তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদীদের সাথে যোগসাজোসের অভিযোগ এনেছে. রাষ্ট্রপতি ও সংসদের স্পিকার ঠিক করেছেন, যে আল-হাশিমির সমস্যা আদালতের মাধ্যমে পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে তদন্তের পরই সমাধান করা হবে. তারিক আল-হাশিমি হলেন প্রভাবশালী সুন্নী নেতা, যে তার বিরূদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন. তিনি বলেছেন, যে তিনি শুধুমাত্র কুর্দীস্তানে আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে প্রস্তুত, কারন তিনি বাগদাদে সুবিচার পাবার আশা করেন না. ইরাকে শিয়া ও সুন্নীদের মধ্যে গোলোযোগ শুরু হয় গত সপ্তাহে মার্কিনী সৈন্যবাহিনী দেশ ছেড়ে যাওয়ার পরেই.