মিশরে পার্লামেন্টারী নির্বাচনের দ্বিতীয় পর্যায় আজ বুধবার শুরু হচ্ছে. এ পর্যায়ে ভোট দেবে মিশরের নয়টি প্রদেশের : গিজা, শার্কিয়া, ইস্মাইলিয়া, মানুফিয়া, সুয়েজ, বুহৈরা, বেনি-সুয়েইফ, আসুয়ান এবং সোহাগ প্রদেশের অধিবাসীরা. প্রথম পর্যায়ের ফলাফল অনুযায়ী, মিশরে “ভাই-মুসলমান” ইস্লামিক আন্দোলনের প্রতিনিধিত্বকারী “মুক্তি ও ন্যায়ের” পার্টি এক-আসন সম্বলিত নির্বাচনী অঞ্চলগুলিতে ৫৪টি আসনের মধ্যে ৩৬টি আসন পেয়েছে. এ পার্টি নির্বাচকদের ৩৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে. দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে আরও একটি ইস্লামিক পার্টি – “আন-নুর”, যা পেয়েছে ২৪ শতাংশ ভোট. ইস্লামিক পার্টিগুলির সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য গঠিত লিবেরাল-ডেমোক্রেটিক পার্টিগুলির কোয়ালিশনের প্রতিনিধিত্ব করা পার্টি “মিশরের ব্লক” পেয়েছে মাত্র ১৩.৩৫ শতাংশ ভোট. লিবেরাল পার্টিগুলি নির্বাচনের প্রথম পর্যায়ে ভীষণ পরাজয়ের পরেও পাল্টা উত্তর দেওয়ার আশা ত্যাগ করছে না. তবে, বিশেষজ্ঞদের মতে, তাদের সম্ভাবনা রয়েছে সামান্যই, কারণ প্রথম পর্যায়ে ভোট দিয়েছে সবচেয়ে আধুনিক অঞ্চলগুলি, সেই সঙ্গে আলেক্সান্দ্রিয়া এবং কায়রো. অপেক্ষাকৃত পরম্পরাগত অঞ্চলগুলিতে ইস্লামপন্থীদের সম্ভাবনা আরও বেশি, উল্লেখ করেছে মিশরের “আল-আখ্রাম” পত্রিকা. এদিকে আরব রাষ্ট্রগুলির লীগের প্রাক্তন প্রধান সচিব আম্র্ মুসা মনে করেন যে, নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী, দেশের পার্লামেন্টে ইস্লামপন্থীরা চূড়ান্ত নিয়ন্ত্রণ পাবে না. মিশরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে তিন পর্যায়ে, যার গতিতে ভোটদান অনুষ্ঠিত হবে দেশের ২৭টি প্রদেশের মধ্যে ৯টি করে প্রদেশে.