0রাশিয়ায় বালটিক সাগরে সুপারসোনিক “ব্রামোস” রকেট সফলভাবে পরীক্ষিত হয়েছে. এ রকেট ক্ষেপণ করা হয়েছিল ভারতের নৌবাহিনীর জন্য নির্মীয়মান ফ্রিগেড থেকে. পরীক্ষা বিশ্বস্তভাবে দেখিয়েছে যে, এ রকেট রাশিয়ায় উত্পাদিত জাহাজে ব্যবহৃত হতে পারে, “ইন্টারফাক্স” সংবাদ সংস্থাকে বলেছেন “ব্রামোস” কোম্পানির সহ-ডিরেক্টর আলেক্সান্দর মাকসিচেভ. তিনি মালয়েশিয়ায় “লিমা-২০১১” নামে নৌবাহিনী এবং এভিয়া-কসমিক আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করছেন. মাকসিচেভ ব্যাখ্যা করে বলেন যে, ক্ষেপণের পরীক্ষা চালানো হয়েছে যাতে ডিজাইন সংক্রান্ত মীমাংসাগুলি যে ঠিক ছিল তার সমর্থন পাওয়া, রকেটের ক্ষেপণ জাহাজের বিন্যাসের  ক্ষতি করে না এবং জাহাজ নির্ধারিত সমস্ত চাপ সহ্য করতে সক্ষম তার সমর্থন পাওয়া. এ সব কিছুর সমর্থন পাওয়া গেছে. রকেট সফলভাবে ক্ষেপণ করা হয়েছে এবং নিরাপদ এলাকায় গিয়ে পড়েছে. পরবর্তী পর্যায়ে পরিচালিত হবে হস্তান্তরের আগের পরীক্ষা. তা করা হবে ভারতে, যখন জাহাজ ফরমাশদাতাকে হস্তান্তর করা হবে এবং তা চূড়ান্তবাবে ভারতীয় নৌবাহিনীতে গ্রহণ করা হবে. মাকসিচেভ আশা করেন যে, তা ঘটবে ২০১২ সালে. নতুন রুশ-ভারত ক্রুইজ মিসাইল “ব্রামোস” তৈরি করেছে “ব্রামোস” নামে যৌথ প্রতিষ্ঠান, যা ১৯৯৮ সালে গঠন করেছিল রাশিয়ার “মাশিনোস্ত্রোয়েনিয়ে” সংগঠন এবং ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানাধীন “ডি.আর.ডি.ও” গবেষণা ও উদ্ভাবনী সংস্থা. এ রকেটের পাইকারী উত্পাদন যেমন রাশিয়ায় তেমনিই ভারতে আয়োজনের পরিকল্পনা আছে. বর্তমানে ব্যবহৃত অনুরূপ বিদেশী রকেটের তুলনায় “ব্রামোস” রকেটের প্রাধান্য বিতর্কাতীত, গতিতে – তিনগুণ, কার্যকরী দূরত্ব – আড়াই গুণ, প্রতিক্রিয়ার সময়ের দিক থেকে –তিন থেকে চারগুণ.