মার্কিনী কর্তৃপক্ষ সিরিয়ার রাষ্ট্রপতি বাশার আসদের এ বিবৃতিকে সত্য বলে মনে করে না যে, তিনি শান্তিপূর্ণ মিছিলকারীদের হত্যার নির্দেশ দেন নি. এ সম্বন্ধে বুধবার জানিয়েছেন হোয়াইট হাউজের প্রতিনিধি জে কার্নি. তাঁর কথায়, “সিরিয়ায় যা ঘটেছে সারা পৃথিবী তার সাক্ষী”. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং পৃথিবীর অন্য বহু দেশ সিরিয়ায় অত্যাচারী ক্রিয়াকলাপের নিন্দে করে, যা চালিয়েছে “আসদের শাসন ব্যবস্থা”, তারা “সঠিকভাবে জানে কি ঘটছে এবং এর জন্য দায়িত্ব কার”. আগে সিরিয়ার রাষ্ট্রপতি মার্কিনী “এ.বি.সি” টেলি-চ্যানেলকে প্রদত্ত ইন্টারভিউতে বলেন যে, সরকারী বাহিনীর অত্যাচারী ক্রিয়াকলাপের জন্য তিনি দায়িত্বশীল নন. আসদ উল্লেখ করেন যে, বিরোধীপক্ষকে দমনের রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা এবং অকুস্থলে সেনাপতির ভুলের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে. রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন যে, সিরিয়ার নাগরিকদের রক্ষার জন্য তিনি তাঁর পক্ষে সম্ভাব্য সবকিছুই করেছেন. রাষ্ট্রসঙ্ঘের তথ্য অনুযায়ী, সিরিয়ায় গত আট মাসের আন্দোলনে ৪ হাজারেরও বেশি লোক মারা গিয়েছে. সিরিয়ার কর্তৃপক্ষ বলছে যে, তারা “বাইরে থেকে সমর্থিত সশস্ত্র দলের বিরুদ্ধে” লড়াই করছে, শান্তিপূর্ণ মিছিলকারীদের বিরুদ্ধে নয়. রাশিয়া ঐ দেশে অত্যাচার অবিলম্বে বন্ধ করা এবং সিরিয়ার আভ্যন্তরীন সঙ্কট মীমাংসার জন্য সংলাপ শুরু করার পক্ষে মত প্রকাশ করছে. মস্কো সিরিয়ার ব্যাপারে বাইরের হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে মত প্রকাশ করে এবং সিরিয়ায় “লিবিয়ার চিত্রনাট্যের” পুনরাবৃত্তির বিরুদ্ধে চূড়ান্ত মত প্রকাশ করছে.