লন্ডনে ইরানী দূতাবাস বন্ধ করা সম্পর্কে গ্রেট-বৃটেনের সিদ্ধান্ত – “তাড়াতাড়ি এবং ব্যস্ততায় নেওয়া” বলে ঘোষণা করা হয়েছে ইস্লামিক প্রজাতন্ত্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে. তেহেরান এর উত্তরে প্রয়োজনীয় যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবে. ইরানী কূটনীতিজ্ঞদের কথায়, তেহেরানে গ্রেট-বৃটেনের দূতাবাসে যা ঘটেছে তা ছিল স্বতঃস্ফূর্ত এবং পূর্বানুমানাতীত. দূতাবাসের কর্মীরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় তার জন্য ইরানী কর্তৃপক্ষ সম্ভাব্য সবকিছুই করেছে. ইরানী ছাত্ররা মঙ্গলবার তেহেরানের প্রতি লন্ডনের বাধানিষেধ প্রবর্তনের বিরুদ্ধে মত প্রকাশ করে বৃটিশ দূতাবাস আক্রমণ করে. গ্রেট-বৃটেন লন্ডনে ইরানের দূতাবাস বন্ধ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে, আরও কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ তেহেরান থেকে নিজেদের প্রতিনিধিদের ফিরিয়ে নিয়ে গেছে.