জাপানের সরকার ঋণের ভার হ্রাসের কর্তব্যের সাথে যুঝে উঠতে পারছে না, মনে করে রেটিং এজেন্সি “স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড পুওর’স”. “ব্লুমবার্গ” এজেন্সি জানিয়েছে যে, “স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড পুওর’স” এজেন্সির বিশ্লেষকরা বৃহস্পতিবার ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, জাপানের রেটিং হ্রাস ক্রমেই বেড়ে চলেছে. জাপানের রেটিং “এস. অ্যান্ড পি.” এজেন্সিতে এপ্রিল মাস থেকে রয়েছে “এএ-“ পর্যায়ে “নেগেটিভ” পূর্বাভাষ সহ. জাপানের রাষ্ট্রীয় ঋণের সমস্যা মীমাংসায় সমাহারিক উপায় প্রয়োজন, দেশের সরকারের মূল্যায়ন অনুযায়ী, এই আর্থিক বছরে ১৩ লক্ষ কোটি ইয়েনের উপরে পৌঁছোবে, মনে করেন সিঙ্গাপুরে “এস. অ্যান্ড পি.” এজেন্সির ডিরেক্টর তাকাহিরা ওগাওয়া. আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলও জাপানের ঋণের পরিস্থিতি সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে. আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জাপানের রাষ্ট্রীয় ঋণ “তাড়াতাড়ি অস্থিতিশীল পর্যায়ে পৌঁছোতে পারে”. জাপানের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ বৃহস্পতিবার পৃথক পৃথক ব্যক্তির আয়ে অতিরিক্ত কর প্রবর্তনের আইন গ্রহণ করেছে বার্ষিক আয়করের ২.১ শতাংশের হারে, ২০১৩ সাল থেকে ২৫ বছরের জন্য. নতুন কর রাষ্ট্রীয় ঋণ কমাতে সাহায্য করবে, যে ঋণ ব্যবহৃত হচ্ছে ২০১১ সালের বসন্তে ধ্বংসাত্মক ভূমিকম্পের পরে পুনর্স্থাপনমূলক নির্মাণকাজের খরচের জন্য.