ওয়াশিংটনে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত হুসেইন হাক্কানির পদত্যাগ সম্বন্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের কাছ থেকে সরকারীভাবে খবর পায় নি. এ সম্বন্ধে এর প্রাক্কালে জানিয়েছেন মার্কিনী পররাষ্ট্র বিভাগের প্রতিনিধি ভিক্টোরিয়া নুল্যান্ড. ২০০৮ সাল থেকে ওয়াশিংটনে রাষ্ট্রদূতের পদে অধিষ্ঠিত হাক্কানি মঙ্গলবার পদত্যাগ করেন পাকিস্তানে এক সপ্তাহ আগে দেখা দেওয়া বিশাল রাজনৈতিক কেলেঙ্কারী উপলক্ষে. সে সময়ে পশ্চিমী প্রচার মাধ্যমে এ খবর দেখা দেয় যে, পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলি জারদারী ওয়াশিংটনের কাছে আবেদন করার চেষ্টা করেছেন, যাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানী বাহিনীর উপর মহলের ব্যক্তিদের সরিয়ে প্রধান প্রধান অধিনায়কদের পদে তাঁর প্রতি বিশ্বস্ত লোকেদের বসাতে সাহায্য করে. প্রচার মাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, মে মাসে পাকিস্তানে মার্কিনী সৈনিকদের দ্বারা উসামা বিন লাদেনকে ধ্বংস করার পরে রাষ্ট্রপতি জারদারী এবং পাকিস্তানের সৈন্যবাহিনীর উপর মহলের মাঝে সম্পর্ক খুবই তীব্র হয়ে ওঠে. ওয়াশিংটন ও ইস্লামাবাদের সম্পর্ক তীব্র হয়ে ওঠে মে মাসে, যখন পাকিস্তানের অ্যাবোট্টাবাদ শহরের উপকন্ঠে মার্কিনী বিশেষ বাহিনীর অভিযানের সময় “আল-কাইদার” প্রধান উসামা বিন লাদেনকে ধ্বংস করা হয়. পাকিস্তানী পক্ষকে এ অভিযানের প্রস্তুতি সম্পর্কে সতর্ক করে দেওয়া হয় নি এবং পাকিস্তান তা গ্রহণ করে মিত্রদেশের বাধ্যবাধকতা এবং নিজের সার্বভৌমত্বের রূঢ় লঙ্ঘন হিসেবে.