মিশরে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ পরিষদের প্রধান, ফিল্ডমার্শাল মুহাম্মেদ হুসেইন তান্তাউই-র প্রতিশ্রুতি কায়রো-তে প্রতিবাদে অংশগ্রহণকারীদের মনোভাব বদলাতে পারে নি. পুলিশের সাথে মিছিলকারীদের সঙ্ঘর্ষ চলেছে সারা রাত ধরে. বুধবার সকালে জানা যায় যে, নতুন আন্দোলনের সময় আরও একজন নিহত হয়েছে. এইভাবে, মিশরে রাস্তার এই নতুন সঙ্ঘর্ষে নিহতদের সংখ্যা পৌঁছেছে ৩৭ জনে, জানিয়েছে “রয়টার” সংবাদ সংস্থা. এর প্রাক্কালে ফিল্ডমার্শাল তান্তাউই জাতির প্রতি আবেদন করেন এবং জানান যে, ইসাম শারাফ সরকারের পদত্যাগ গ্রহণ করেছেন. তান্তাউই তাছাড়া বলেন যে, সমরসেবীদের শাসন ক্ষমতার প্রয়োজন নেই এবং তারা তা ত্যাগ করতে রাজি আছে, যদি জনসাধারণ গণভোটে তা দাবি করে. তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, ২০১২ সালের ৩০শে জুনের মধ্যে সামরিক পরিষদ রাষ্ট্রপতির নির্বাচন পরিচালনা করবে, আর তার পরে বেসামরিক নেতৃবৃন্দের হাতে শাসন ক্ষমতা সমর্পন করবেন. সামরিক পরিষদের প্রধান এ কথা সমর্থন করেন যে, মিশরে পার্লামেন্টারী নির্বাচন শুরু হবে আগামী সোমবার, যেমন পরিকল্পিত ছিল. কিন্তু তা পরিস্থিতির উন্নতি করতে পারে নি. তান্তাউই-র বক্তৃতা চলার সময়ে এবং তার পরেও পুলিশ বাহিনীর উপর মিছিলকারীদের আক্রমণ বন্ধ হয় নি. প্রতিবাদকারীদের অনেকেই গণভোটের প্রস্তাবকে জনসাধারণকে বিভাজিত করার জন্য কারসাজি হিসেবে দেখছে. বিরোধীপক্ষ দাবি করছে সশস্ত্র বাহিনী যেন অবিলম্বে শাসন ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়ায়. সামরিক নেতৃবৃন্দের জায়গায় মিশরের বিপ্লবী যুব সঙ্ঘ দেখতে চায় “রাষ্ট্রপতির পরিষদকে”, যা গঠিত হবে আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি এজেন্সির প্রাক্তন ডিরেক্টর মুহম্মদ আল-বারাদেইয়ের নেতৃত্বে রাষ্ট্রপতি পদের প্রার্থীদের নিয়ে. পুলিশের সাথে মিছিলকারীদের সঙ্ঘর্ষ তাছাড়া হয়েছে আলেক্সান্দ্রিয়াতে, ইস্মাইলিয়াতে, পোর্ট-সইদে, কেনে এবং মিশরের অন্যান্য শহরে.