মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে নতুন নতুন বাধানিষেধ প্রবর্তনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামার বিবৃতিতে বলা হয়েছে য়ে, এ বাধানিষেধ ইস্লামিক প্রজাতন্ত্রের অর্থনীতির তৈল-রাসায়নিক এবং ব্যাঙ্ক শাখাকে স্পর্শ করবে. এই প্রথম বাধানিষেধ এ দেশের তৈল-রাসায়নিক শাখার প্রতি নির্দেশিত এবং এ শাখায় পণ্যদ্রব্য, সার্ভিস এবং প্রকৌশল প্রদান নিষেধ করে. হোয়াইট হাউজের প্রশাসনের দ্বারা প্রকাশিত দলিলে বলা হয়েছে যে, এমন ক্রিয়াকলাপে অংশগ্রহণকারী যেকোনো নাগরিক বা সংস্থার বিরুদ্ধে জরিমানা নির্ধারিত. এ বাধানিষেধ আগেরটির চেয়ে প্রসারিত, এবং তা ইরানের জন্য নিজের তেল ও গ্যাস ক্ষেত্রের নিয়ন্ত্রণ, সংরক্ষণ এবং আধুনিকীকরণের সম্ভাবনা জটিল করে তোলে. নতুন বাধানিষেধ তাছাড়া ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সৃষ্টিতে, সেই সঙ্গে হেভি ওয়াটার সৃষ্টির কর্মসূচি ও পরিশোধনের কর্মসূচি সৃষ্টিতে ভূমিকা পালনকারী ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নির্দেশিত. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাছাড়া এই প্রথম বাধানিষেধ প্রবর্তন করেছে গোটা ব্যাঙ্ক শাখার উপর, সেই সঙ্গে ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের উপর. বাধানিষেধ স্পর্শ করবে সমস্ত “সরকার ও আর্থিক সংস্থাকে, যারা ইরানের ব্যাঙ্কের সাথে কারবার চালাবে”. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এ বাধানিষেধে যোগ দিয়েছে গ্রেট-বৃটেন ও ক্যানাডা, যারা নিজেদের অর্থ ব্যবস্থা থেকে ইরানকে বাদ দিয়েছে, উল্লেখ করা হয়েছে দলিলে.