কায়রোয় নতুন করে বিরোধীপক্ষ প্রতিবাদ শুরু করায় ইসাম শারাফের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রীসভা পদত্যাগপত্র পেশ করে. আজ মিশরের ‘আল-মারসি আল-ইয়ায়ুম’ নামক সংবাদপত্র জানিয়েছে, যে শাসনরত সর্ব্বোচ্চ সামরিক পরিষদ ঐ পদত্যাগপত্র গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছে. সংবাদপত্রটি জানিয়েছে, যে বৈঠক চলাকালীন সামরিক পরিষদ মন্ত্রীসভার অধিকাংশ সদস্যকেই পদত্যাগ না করার জন্য রাজি করাতে পেরেছে. যদি প্রয়োজন হয়, তবে সর্ব্বোচ্চ সামরিক পরিষদ নির্বাচনের পরে মন্ত্রীসভায় রদবদল করতে পারে. মিশরে প্রথম পর্যায়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৮শে নভেম্বর. মিশরের সরকার ঐ নির্বাচন মুলতুবী রাখতে চায় না. সামরিক পরিষদ সেইসঙ্গেই কায়রের ঘটনাবলীর জরুরী তদন্ত করার ও পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার আশ্বাস দিয়েছে. সংবাদপত্রটি লিখছে, যে মন্ত্রীসভা হিংসাত্মক কার্যকলাপ দমনের অভিযানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে পরিপূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে. সামরিক পরিষদ ইতিপূর্বে সব রাজনৈতিক দলকে হিংসাত্মক কার্যকলাপ থেকে বিরত হওয়ার আহ্বাণ জানালেও, কোনো কাজ হয়নি. বরং মিশরে একসঙ্গে কয়েকটি শহরে কায়রোর তাহরির চকে আন্দোলনকারীদের সমর্থনে প্রচুর মানুষের গণপ্রতিবাদী মিছিল শুরু হয়েছে. আন্দোলনকারীরা জনগণ নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি ও সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের দাবী জানাচ্ছে. পরিস্থিতি আরো এই কারনে জটিল হয়েছে, যে প্রতিবাদকারীরা কোনো নির্দ্দিষ্ট দলের সদস্য নয়. সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, কায়রোয় গত কয়েকদিনে সংঘর্ষে ১৩ জন মারা গেছে, প্রায় ৯০০ জন আহত হয়েছে.