আরব রাষ্ট্রগুলির লীগ সিরিয়াকে তিনদিন সময় দিয়েছে, সরকারবিরোধী মিছিল “রক্তাক্তভাবে দমন” থামানোর জন্য এবং দেশে পর্যবেক্ষকদের আসতে দেওয়ার জন্য. মরক্কোর রাজধানী রাবাতে গত বুধবার আরব লীগের দেশগুলির পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সাক্ষাত্ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা সিরিয়ার পরিস্থিতির প্রতি উত্সর্গীত ছিল. ডামাস্কাস, যার সদস্যপদ আরব লীগে স্থগিত রাখা হয়েছে, এ বৈঠক বয়কট করেছে. আরব রাষ্ট্রগুলির লীগের প্রধান সচিব নাবিল আল-আরাবি নিজের তরফ থেকে জানিয়েছেন যে, সিরিয়ায় ১৬টি আরব মানব অধিকার রক্ষা সংস্থার প্রতিনিধিদের পাঠানো হবে. তারা বিরোধীপক্ষের দ্বারা উল্লেখ করা ১৬টি বিভিন্ন অঞ্চলে মনিটরিং করবে. তাঁর কথায়, পর্যবেক্ষকরা নিজেদের রিপোর্ট পাঠাবেন আরব রাষ্ট্রগুলির লীগের সদর দপ্তরে. আরব লীগ প্রথমে ৩০-৫০ জন পর্যবেক্ষককে পরীক্ষামূলকভাবে পাঠানোর প্রস্তাব করছে. কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হামাদ লেন জাসেম আত-তানি সেই সঙ্গে উল্লেখ করেন যে, সিরিয়ায় পরিস্থিতি সামরিক বিশেষজ্ঞদের উপস্থিতির দাবি করে. এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী এ সম্ভাবনা বাদ দেন নি যে,আরব লীগ সাহায্যের জন্য আবেদন করতে পারে ইস্লামিক অথবা অন্যান্য মিত্রভাবাপন্ন রাষ্ট্রের কাছে সিরিয়ায় নিজেদের বিশেষজ্ঞদের পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে. আরব প্রচার মাধ্যম ইতিমধ্যে আরব লীগের প্রস্তাবকে “ডামাস্কাসের জন্য শেষ সুযোগ” বলে অভিহিত করেছে. আত-তানির কথায়, লীগের দেশগুলি কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পথের শেষে এসে পৌঁছেছে. তিনি তাছাড়া ডামাস্কাসের জন্য এ অপ্রিয় খবরও জানান যে, সিরিয়ার তরফ থেকে সহযোগিতার অভাবের ক্ষেত্রে, আরব দেশগুলি অর্থনৈতিক বাধানিষেধ প্রবর্তন করা শুরু করবে. তাঁর কথায়, এমন বাধানিষেধ প্রবর্তনের বিষয় নিয়ে কাজ করবে যথাযথ মন্ত্রীরা. রাশিয়া ও চীন সিরিয়ার সঙ্কটে বাইরের বলপ্রয়োগমূলক হস্তক্ষেপের বিপক্ষে মত প্রকাশ করছে, লিবিয়ার চিত্রনাট্যের পুনরাবৃত্তির ভয়ে. সেই সঙ্গে মস্কো ও বেজিং সিরিয়ার নেতৃবৃন্দকে সংস্কার শুর করার এবং বিরোধীপক্ষের সাথে সংলাপ শুরু করার আহ্বান জানাচ্ছে.