আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি এজেন্সির ইরান সংক্রান্ত রিপোর্ট বুধবার প্রকাশিত হতে পারে, যাতে ইরানী বিশেষজ্ঞদের দ্বারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরী সম্পর্কিত পরীক্ষা চালানোর কথা সমর্থিত হয়েছে. আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি এজেন্সির প্রেস-সার্ভিসে সঠিক করে বলা হয়েছে : এ রিপোর্ট এজেন্সির পরিচালকমন্ডলীর পরিষদে পেশ করা হবে. পরিচালকমন্ডলী পরবর্তী সপ্তাহে তার প্রকাশ সম্বন্ধে সিদ্ধান্ত নেবে, মনে করিয়ে দিয়েছে রাশিয়ার “ভেদমস্তি” পত্রিকা. পশ্চিমী প্রচার মাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এ রিপোর্টে ইরানের দ্বারা “আর২৬৫” সরঞ্জাম ব্যবহার সহ পরীক্ষার চালানোর ক্ষেত্রে আগে অজানা খুঁটিনাটি রয়েছে. এ সরঞ্জাম পারমাণবিক বোমার, এবং পারমাণবিক ওয়ারহেডের উপাদানে ডেটনেটরের ভূমিকা পালন করতে পারে. এ রিপোর্ট ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পর্কে ধারণা বদলে দিতে পারে, মস্কো ও বেজিংযের পক্ষে তা উপেক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে, বৃটেনের “গার্ডিয়ান” পত্রিকাকে বলেছেন এক পশ্চিমী কূটনীতিজ্ঞ. এ রিপোর্টে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্বন্ধে নতুন কোনো খুঁটিনাটি নেই. এ সম্বন্ধে “মস্কো নিউজ” পত্রিকাকে বলেছেন বিশ্লেষণ, স্ট্র্যাটেজি ও প্রকৌশল কেন্দ্রের ডিরেক্টর আন্তোন খ্লপকোভ, যিনি রিপোর্টের মর্মের সাথে পরিচিত. এ রিপোর্টে কোনো মৌলিক নতুনত্ব ও বিস্ফোরণমূলক কিছু থাকবে না, বলেছেন আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি এজেন্সির প্রাক্তন পরিদর্শক এবং বর্তমানে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মী ওল্লি হেইনোনেন “গার্ডিয়ান” পত্রিকাকে প্রদত্ত ইন্টারভিউতে. কিছু কিছু ঘটনা আছে যা উদ্বেগ জাগাতে পারে, তবে ফাঁস করা খবরের ভিত্তিতে সামরিক অংশের বিকাশ সম্বন্ধে সিদ্ধান্তে আসা কঠিন. এর উদ্দেশ্য হল ইরানের উপর চাপ দেওয়া এবং ইরানবিরোধী বাধানিষেধ বাড়ানোর জন্য অন্যান্য দেশের উপর চাপ দেওয়া, মনে করেন রাশিয়ার রাজনৈতিক গবেষণা কেন্দ্রের কর্মী ইভান ত্রুশকিন. ইস্রাইল ইতিমধ্যে ইরানের উপর সামরিক আঘাত হানার সম্ভাবনার কথা ঘোষণা করেছে, যার বিরুদ্ধে সতর্ক করে দিয়েছেন রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দমিত্রি মেদভেদেভ. চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইরানকে আহ্বান জানিয়েছে নমনীয়তা প্রকাশের এবং সামরিক প্রশ্নে স্পষ্টতার.