আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি এজেন্সি বুধবার যে রিপোর্ট প্রকাশ করবে, তাতে ইরানের দ্বারা শেষ প্রজন্মের পারমাণবিক ওয়ারহেড প্রাপ্তি সংক্রান্ত তথ্য-প্রমাণ থাকবে. এ সম্বন্ধে মঙ্গলবার জানিয়েছে বৃটেনের “গার্ডিয়ান” পত্রিকা. পত্রিকাটি উল্লেখ করছে যে, এ রিপোর্ট প্রস্তুত করার সময় ব্যবহৃত হয়েছে গোয়েন্দা বিভাগের তথ্যাবলি, এবং  ইরানে এজেন্সির কর্মীদের দ্বারা সংগ্রহ করা তথ্য ও প্রমাণ. এ রিপোর্টে কোনো মৌলিক নতুনত্ব ও বিস্ফোরণমূলক কিছু থাকবে না. তবে, কিছু কিছু ঘটনা রয়েছে, যা উদ্বেগ জাগায়, মনে করেন বিশেষজ্ঞরা. পত্রিকাটি লিখেছে, উদ্বেগ জাগায় এ ঘটনা যে, ইরানী বিজ্ঞানীরা পারমাণবিক অস্ত্র প্রাপ্তি নিয়ে কাজ থামান নি, যেমন অনুমিত ছিল ২০০৪ সালে. তবে, তারা রকেট তৈরী ও পরীক্ষা নিয়ে কাজ করে নি, সর্বপ্রথমে তারা কাজ করেছে কম্পিউটার মডেলিং নিয়ে, যার সাহায্যে যেকোনো মুহূর্তে পারমাণবিক ওয়ারহেড তৈরি করা যেতে পারে. ইরান সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে এ কথা ঘোষণা করে যে, আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি এজেন্সির রিপোর্ট পাশ্চাত্যের স্বার্থে মিথ্যে করে বানিয়ে তৈরি করা হয়েছে. সম্ভবত, রিপোর্টে ইরানের জন্য পারমাণবিক বোমা তৈরি করায় রাশিয়ার বিজ্ঞানীদের অংশগ্রহণের কথাও বলা হবে. আগে আমেরিকার “ওয়াশিংটন পোস্ট” পত্রিকা একটি দলিল প্রকাশ করেছিল, যাতে ইরানের প্রকল্পে রাশিয়ার প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণের কথা জোর দিয়ে বলা হয়েছিল. সম্প্রতিকালে তেহেরান ও ওয়াশিংটনের মাঝে সম্পর্ক চরম সীমা পর্যন্ত তীব্র হয়ে উঠেছে. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্রদেশগুলি একাধিকবার ইরানের বিরুদ্ধে “ক্রিয়াকলাপের সমস্ত ধরণ” বিবেচনা করার ভয় দেখিয়েছে. ইস্রাইলের রাষ্ট্রপতি শিমোন পেরেস গত সপ্তাহে বলেন যে, ইরানের উপর ইস্রাইলের আঘাত “ক্রমেই বেশি সম্ভাবনাময়” হয়ে উঠছে.