ফ্রান্সের কান শহরে ৩-৪ নভেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য জি-২০ গোষ্ঠীর বৈঠকে আলোচ্য বিষয় হবে ইতিহাসে সবচেয়ে উত্তেজনাকর. বোঝা যাচ্ছে, যে গ্রীসের পরিস্থিতি হবে মুখ্য আলোচ্য বিষয়. গ্রীসের সরকার কতৃক গৃহীত সিদ্ধান্ত, যে ইউরোপীয় সংঘের তরফ থেকে প্রস্তাবিত আর্থিক সাহায্যের প্রশ্নে দেশে গণভোটের আয়োজন করা হবে – তা বিশ্ব অর্থনীতির পক্ষে নতুন প্রতিকুলতার সৃস্টি করবে. বিনিয়োগকারীরা শীর্ষবৈঠকের কাছ থেকে যথাযোগ্য সিদ্ধান্তের প্রত্যাশা করছে, কিন্তু মোহভঙ্গ হওয়ার আশংকা আছে, কারন জি-২০র মতো সংস্থা বোধহয় কোনো জটিল প্রশ্নে ঐক্যমতে পৌঁছাতে আর সক্ষম নয়. রাশিয়া আর্থিক ক্ষেত্রে ইউরোপে স্থিতিশীলতা রক্ষায় আগ্রহী. চীনও প্রত্যাশা করছে, যে ইউরোপীয়রা গ্রীসের সমস্যায় এমন সিদ্ধান্ত গ্রহন করতে সমর্থ হবে, যাতে বাজারকে শান্ত করা যায়. জি-২০ গোষ্ঠীর শীর্ষবৈঠকের ঠিক আগে চীনের উপঅর্থমন্ত্রী ঝু গিয়ানাও বলেছেন, যে চীন প্রত্যাশা করে, যে শীর্ষবৈঠকে অংশগ্রহনকারীরা বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হবে এবং বাজারে স্থিতিশীলতা পুণরুদ্ধার করতে পারবে. আজ কান শহরে জি-২০ গোষ্ঠীর শীর্ষবৈঠক শুরু হওয়ার প্রাক্কালে ব্রিকস গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির নেতারা সাক্ষাত করবেন, যেখানে তারা তাদের ঘড়ির সময় মিলিয়ে নেবেন.