মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র বিভাগ কির্গিজিয়ার নতুন সরকারের সাথে "মানাস" বিমানবন্দরে সামরিক ঘাঁটির ভাগ্য সম্বন্ধে আলোচনা করতে প্রস্তুত, ওয়াশিংটনে বলেছেন পররাষ্ট্র বিভাগের প্রতিনিধি ভিক্টোরিয়া নুল্যান্ড. এ প্রজাতন্ত্রের ভূভাগে মার্কিনী সামরিক ঘাঁটির অবস্থান সংক্রান্ত চুক্তির মেয়াদ রয়েছে ২০১৪ সাল পর্যন্ত. কেন্দ্রীয় নির্বাচনী কমিশনের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়লাভ করা প্রধানমন্ত্রী আলমাজবেক আতামবায়েব এর প্রাক্কালে বলেন যে, তিনি প্রজাতন্ত্রের ভূভাগ থেকে মার্কিনী সামরিক ঘাঁটি সরিয়ে দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন. তিনি নিজের স্থিতি ব্যাখ্যা করেন এর দ্বারা যে, মার্কিনী ঘাঁটির উপস্থিতি প্রজাতন্ত্রের স্বার্থের সাথে সুসঙ্গত নয়, এবং জোর দিয়ে বলেন যে, তিনি চান না কোনো দেশ যেন এ ঘাঁটির উপর প্রত্যুত্তরী আঘাত না হানে. সেই সঙ্গে তিনি বলেন যে, বিদ্যমান সমস্ত চুক্তি সম্পূর্ণভাবে পুরণ করা হবে. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর ঘাঁটি কির্গিজিয়ার রাজধানীর “মানাস” নামে বেসামরিক বিমানবন্দরে গঠন করা হয়েছিল ২০০১ সালে, আফগানিস্তানে “অলঙ্ঘ্য বিজয়” নামে অভিযানের কাঠামোতে. পরে তার নাম দেওয়া হয় ট্রানজিট মালপত্র পরিবহণ কেন্দ্র, যা এখন আফগানিস্তানে যুদ্ধের জায়গাগুলিতে মার্কিনী সৈনিক ও সামরিক প্রযুক্তি পাঠানোর মুখ্য কেন্দ্র.