হাজার হাজার বাসিন্দা এবং পর্যটক থাইল্যান্ডের রাজধানীর বাস-স্টেশন, রেল-স্টেশন এবং বিমানবন্দরে ভিড় করেছে. তারা তাড়াতাড়ি করে ব্যাঙকক থেকে পালাতে চেষ্টা করছে, যেখানে বন্যা ক্রমেই বিপজ্জনক পরিসর গ্রহণ করছে. মুষলধারে বৃষ্টির পর দেশের বহু অঞ্চলে বন্যা শুরু হয়েছে. ব্যাঙককের প্রধান নদী চাও প্রাইয়া কূল ছাপিয়ে উঠেছে. বর্তমানে থাইল্যান্ডের রাজধানী প্রকৃতপক্ষে সম্পূর্ণভাবে জলে ডুবে রয়েছে, এমনকি রাজপ্রাসাদের ভূভাগও. ১ কোটি ২০ লক্ষ বাসিন্দার এ শহরের ব্যবসায়ী কেন্দ্র শুধু জলে ডুবে নেই. আগামী কয়েক দিনে অবস্থার উন্নতি হওয়ার পূর্বাভাষ দেওয়া যাচ্ছে না, শুক্রবার লিখেছে “চায়না ডেইলি” পত্রিকা. বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন যে, ব্যাঙককের উত্তর দিক থেকে বিশাল জলপ্রবাহ আসছে. আশা করা হচ্ছে যে, তা শহরে পৌঁছোবে ২৯-৩০শে অক্টোবর.