ন্যাটো জোটের পরিষদ, আশা করা হচ্ছে যে, শুক্রবার লিবিয়ায় "ঐক্যবদ্ধ রক্ষক" নামে আন্তর্জাতিক অভিযান শেষ করা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে. ন্যাটো জোটের পরিষদ রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ঐ বৈঠকেই ৩১শে অক্টোবর সামরিক অভিযান শেষ করার সিদ্ধান্ত বিধিবদ্ধ করার পরিকল্পনা করছে. সাক্ষাত্ শুরু হওয়ার প্রাক্কালে এ সম্বন্ধে “ইন্টারফাক্স” সংবাদ সংস্থাকে ব্রাসেলসে জানিয়েছেন উচ্চপদস্থ এক কূটনৈতিক উত্স. এর আগে রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদ রাশিয়ার উদ্যোগে একবাক্যে উড়ানহীন এলাকা বাতিলের এবং ৩১শে অক্টোবর লিবিয়ার সময় অনুযায়ী রাত ১১টা ৫৯ মিনিটে ন্যাটো জোটের অভিযান বন্ধ করার সিদ্ধান্তের পক্ষে ভোট দিয়েছে. রাশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী গেন্নাদি গাতিলোভ লিবিয়ায় পরিস্থিতির পরিবর্তন উপলক্ষে এ দেশে উড়ানহীন এলাকা বজায় রাখাকে যুক্তিহীন বলে অভিহিত করেছেন. গাতিলোভ “ইন্টারফাক্স” সংবাদ সংস্থাকে বলেন, “রাশিয়া এই উড়ানহীন এলাকার ব্যবস্থা বাতিল করার প্রস্তাব করে. আমাদের উদ্যোগ নিরাপত্তা পরিষদের অন্যান্য সদস্য সমর্থন করে”. রাশিয়ার কূটনীতিজ্ঞ জোর দিয়ে বলেন যে, ন্যাটো জোটের অভিযান গুটিয়ে নেওয়ায় রাষ্ট্রসঙ্গের নিরাপত্তা পরিষদের মুখ্য ভূমিকা সুনিশ্চিত করতে সক্ষম হয় রাশিয়া. আগে লিবিয়ার অন্তর্বর্তী জাতীয় পরিষদের প্রধান মুস্তাফা আব্দেল জলীল ন্যাটো জোটকে আহ্বান জানান অন্ততপক্ষে এ বছরের শেষ পর্যন্ত সামরিক অভিযান প্রলম্বন করতে. তা প্রয়োজন সীমানা রক্ষার জন্য, যাতে প্রতিবেশী দেশগুলির তরফ থেকে সশস্ত্র অনুপ্রবেশ বন্ধ করা যায় এবং নিহত প্রাক্তন নেতা মুয়ম্মর গদ্দাফির বাহিনীর অবশিষ্টাংশ থেকে লিবিয়াকে রক্ষা করা যায়. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এর প্রাক্কালে ঘোষণা করেছে যে, ন্যাটো জোট এবং অন্তর্বর্তী জাতীয় পরিষদ দেশের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করায় জোটের ভবিষ্যত্ ভূমিকা আলোচনা করা ইতিমধ্যেই শুরু করেছে. বিশেষ করে আলোচিত হচ্ছে লিবিয়ার সীমানা রক্ষা করা, সামরিক সমাবেশ বাতিল করা এবং জনসাধারণকে অস্ত্রমুক্ত করায় সহায়তা করার বিষয়. লিবিয়ায় আন্তর্জাতিক কোয়ালিশনের অভিযান ন্যাটো বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে আসে এ বছরের ৩১শে মার্চ এবং পরিচালিত হয় রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের ১৯৭০ এবং ১৯৭৩ নম্বর সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে.