ইউরোপীয় সংঘের সাংসদেরা এই আশংকা করছেন, যে শরিয়তের ওপর ভিত্তি করে স্থাপন করা লিবিয়ার নতুন শাসন ব্যবস্থা গণতান্ত্রিক হবে না. এই প্রসঙ্গে বিশেষ রিপোর্টে আন্না গোমেস লিখেছেন, যে মুসলিম আইন-কানুন নারীদের অধিকার খর্ব করতে পারে, যা স্বাধীন রাষ্ট্রে গ্রহনযোগ্য নয়. গত সোমবার লিবিয়ায় অন্তর্বর্তীকালীন জাতীয় পরিষদের প্রধান মুস্তাফা আবদেল জালিল ঘোষণা করেছেন, যে তার দেশ ইসলামি আইনের মতে চলবে. যে কোনো আইন, যা শরিয়তের সাথে খাপ খায় না, তা বাতিল করা হবে. ইতিপূর্বে সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী ‘আল-কাইদা’ লিবিয়বাসীদের ঐরকম রাষ্ট্রের পত্তন করার আহ্বাণ জানিয়েছিল.