তুরস্কের দক্ষিণ-পুবে এর্জিশ ও ওয়ান শহরে দু দিন আগে যে ভীষণ ভূমিকম্প হয়েছিল, সেখানে ধ্বংসস্তূপের তলায় বেঁচে থাকা লোকেদের খুঁজে বার করার আশা উদ্ধারকর্মীদের ক্রমেই কমে আসছে. তবুও উদ্ধারকর্মীরা ঠাণ্ডা এবং ক্লান্তি সত্ত্বেও গত রাতে কাজ চালিয়ে গেছে তাদের খুঁজে বার করার আশায়, যারা রবিবারের ৭.২ মাত্রার ভূমিকম্পের পরে বেঁচে রয়েছে. শেষ তথ্য অনুযায়ী, বিপর্যয়ে নিহতদের সংখ্যা ২৭৯ জন, ১৩০০ জনেরও বেশি লোক আহত হয়েছে. ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এর্জিস শহর. রেড ক্রেসেন্টের কর্মীরা শহরে ফুটবল খেলার মাঠকে তাঁবুর শিবিরে পরিণত করেছে বেঁচে থাকা লোকেদের জন্য. অনুসন্ধানের কাজে অংশগ্রহণ করছে ৪৫টি শহরের প্রায় ২৪০০ জন উদ্ধারকর্মী. বিপর্যয়ের অঞ্চলে অনুসন্ধান ও উদ্ধারকাজ চালানোর জন্য পাঠানো হয়েছে সৈন্যবাহিনীর ছয়টি ব্যাটালিয়ান. পরিবহণ বিমানে করে ক্ষতিগ্রস্ত শহরে পাঠানো হচ্ছে তাঁবু, খাদ্যদ্রব্য এবং ওষুধপত্র. দেশের অনুসন্ধান ও উদ্ধার সমিতির সভাপতি নাসুক মারুকি সোমবার প্রতিশ্রুতি দেন যে, দু দিনের মধ্য সমস্ত ধ্বংসস্তূপ সরানো হবে, যার ফলে সম্ভাব্য বেঁচে থাকা লোকেদের খুঁজে পাওয়া যাবে. তুরস্কের উদ্ধারকর্মীদের সাহায্যের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত শহরগুলিতে ইরান নিজের অনুসন্ধানীদের পাঠিয়েছে. অন্যান্যদের মধ্যে তুরস্কের সরকারকে সাহায্যের প্রস্তুতি প্রকাশ করেছে গ্রীস, ইস্রাইল এবং আর্মেনিয়া. তুরস্ক সরকারের প্রধান রেজেপ তাইপ এর্দোগান বলেন যে, দেশ নিজে নিজেই বিপর্যয়ের কুপরিণতি কাটিয়ে উঠতে পারবে. তিনি আঙ্কারাকে সাহায্য দানের প্রস্তাব করা দেশগুলিকে ধন্যবাদ জানান.