বৃটিশ ও মার্কিনী গোয়েন্দা বিভাগগুলি কর্নেল মুয়ম্মর গদ্দাফির অবস্থানস্থল তার মৃত্যুর এক সপ্তাহ আগে জানতে পেরেছিল. জীবনের শেষ কয়েক দিনে গদ্দাফি সক্রিয়ভাবে ব্যবহার করেছিল স্পুতনিক ও মোবাইল যোগাযোগ ব্যবস্থা, সেইজন্য “মি-৬” এবং “সি.আই.এ”-র বিশেষজ্ঞরা তার আলাপ শোনার সুযোগ পেয়েছিল. এই আলাপ শোনার সময়েই জানা গিয়েছিল যে লিবিয়ার প্রাক্তন নেতা সির্ত থেকে পালানোর পরিকল্পনা করছে, শুক্রবার জানিয়েছে “ডেইলি টেলিগ্রাফ” পত্রিকা. মার্কিনী ও ফরাসী বৈমানিকহীন বিমান কয়েক সপ্তাহ ধরে সির্ত শহরের কেন্দ্রস্থলের উপর নজর রাখছিল. যখন তারা একটি মোটর গাড়ির সারি দেখতে পায়, তখনই তাদের ধাওয়া করার এবং আক্রমণ শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, উল্লেখ করেছে পত্রিকাটি নাম না জানানো উত্সকে উদ্ধৃত করে. বিশ্ব প্রচার মাধ্যম সক্রিয়ভাবে গদ্দাফির মৃত্যুর নানা ধরণ আলোচনা করছে. অন্তর্বতী পরিষদের সেনাধিনায়ক আব্দেল-বসিত হারুন জানিয়েছেন যে, গদ্দাফি মারা যায় যখন তাড়াতাড়ি করে সির্ত ছেড়ে যাওয়া সোটরগাডির সারির উপর ন্যাটো জোটের বিমান বোমার আঘাত হানে. পরে অন্তর্বর্তী জাতীয় পরিষদের প্রধান মাহমুদ জাব্রিল জানান যে, গদ্দাফি মাথায় গুলি লেগে মর্মান্তিকভাবে আহত হয় তার পক্ষসমর্থক এবং অন্তর্বতী জাতীয় পরিষদের যোদ্ধাদের মাঝে লড়াইয়ের সময় এবং হাসপাতালে যাওয়ার পথে মারা যায়. তবে. গুলি বিনিময়ে অংশগ্রহণকারী অন্তর্বর্তী জাতীয় পরিষদের যোদ্ধাদের কথায়, গদ্দাফি নিহত হয় পালানোর চেষ্টার সময়, শুক্রবার জানিয়েছে “ইন্টারফাক্স” সংবাদ সংস্থা. গদ্দাফির মৃতদেহ সনাক্ত করা ডাক্তার জানিয়েছেন যে, কর্নেল মাথায় গুলি লাগার আঘাতে নিহত হয় নি. যেমন আগে জানানো হয়েছিল, সে মারা যায় পেটে গুলি লাগার আঘাতের দরুণ. প্রচার মাধ্যমে আসা ফোটো এবং ভিডিও-রেকর্ড সম্পর্কেও পূর্ণ স্পষ্টতা নেই, যাতে আহত গদ্দাফিকে দেখানো হয়েছে. এখনও পর্যন্ত বোঝা যাচ্ছে না, এ সব ফোটো তোলার সময় তিনি জীবিত ছিলেন অথবা মৃত, উল্লেখ করেছে পশ্চিমী প্রচার মাধ্যম.