রাশিয়ার তিনটি মুখ্য টেলি-চ্যানেলকে প্রদত্ত ইন্টারভিউতে রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ভ্লাদিমির পুতিন বলেন যে চীন রাশিয়ার নির্ভরযোগ্য শরিক. তিনি বলেন, “আমাদের জন্য চীন – শরিক, নির্ভরযোগ্য শরিক, এবং আমরা দেখতে পাচ্ছি যে চীনা নেতৃবৃন্দ এবং চীনের জনগণ আমাদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সুপ্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক গড়ে তুলতে এবং অতি জটিল সব প্রশ্নেও আপোষ অনুসন্ধান করতে প্রস্তুত”. রাশিয়া উত্তর দিচ্ছে পারস্পরিকতার দ্বারা, এবং ফলে উভয় দেশই, সাধারণত, স্পর্শবিন্দু খুঁজে পেতে সক্ষম হচ্ছে. পুতিন জোর দিয়ে বলেন, “আমার স্থিরবিশ্বাস যে ভবিষ্যতেও আমরা এমন স্পর্শবিন্দু খুঁজে পাব”. গত সপ্তাহে রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী কর্মসফরে চীনে গিয়েছিলেন. রাশিয়া ও চীনের প্রধানমন্ত্রীদের এই নিয়মিত সাক্ষাতে পুতিন এবং ভ্যান জিয়াবাও মিলিতভাবে দু দেশের অর্থনীতির আধুনিকীকরণ সংক্রান্ত একসারি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর করেন. রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বলেন, “চীন, নিঃসন্দেহে, আমাদের গুরুত্বপূর্ণ এক শরিক, অতিশয়োক্তি না করে যাকে ন্যায়সঙ্গতভাবে আমরা স্ট্র্যাটেজিক শরিক বলে মনে করতে এবং বলতে পারি”. পুতিন ব্যাখ্যা করে বলেন, “ব্যাপারটা শুধু এ নয় যে, আমাদের দু দেশের মাঝে পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘ সীমানা রয়েছে. ব্যাপারটা হল এই যে, আমাদের আমাদের পণ্য-আবর্তন অতি দ্রুত গতিতে বাড়ছে. ব্যাপারটা হল এই যে, চীন অতি দ্রুত গতিতে বিকশিত হচ্ছে এবং আমাদের পণ্য বিক্রির জন্য ভাল শরিক ও বাজার হয়ে উঠছে এবং আমাদের অর্থনীতিতে বিনিয়োগকারী হয়ে উঠছে”. বিশ্ব নেতৃত্বের জন্য তথাকথিত “মুখ্য সংগ্রামে” “আমরা চীনের সাথে বিতর্কে যেতে চাই না”. রাশিয়া ভবিষ্যতেও ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করতে চায়. ইন্টারভিউতে প্রধানমন্ত্রী ভ্লাদিমির পুতিন বলেন যে, মস্কো নিজের পররাষ্ট্রনৈতিক স্বার্থ একনিষ্ঠভাবে রক্ষা করবে, তবে তথাকথিত “বিশ্ব পুলিশের” ভূমিকার দাবি না করে.