কির্গিজিয়ার রাজধানীতে “মানাস” বিমানবন্দরে অবস্থিত মার্কিনী প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ট্রানজিট মালপত্র পরিবহণ কেন্দ্রের ভবিষ্যত্ মীমাংসিত হওয়া উচিত যৌথ নিরাপত্তার চুক্তি সংস্থার কাঠামোতে. এ সম্বন্ধে সোমবার বলেছেন কির্গিজিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকারী ওমুরবেক বাবানোভ. পেন্টাগনের বিমান ঘাঁটি ২০০১ সালে কির্গিজিয়ার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্থাপিত হয়েছিল আফগানিস্তানে “অবিনশ্বর মুক্তি” অভিযানের কাঠামোতে. পরে তার নাম দেওয়া হয় ট্রানজিট মালপত্র পরিবহণের কেন্দ্র, যা আফগানিস্তানে সামরিক কর্মী ও প্রযুক্তি পাঠানোর মুখ্য কেন্দ্র. বাবানোভ মনে করিয়ে দেন যে, কির্গিজিয়া ২০১৪ সাল পর্যন্ত “মানাস” বিমানবন্দরে মার্কিনী বাহিনীর অবস্থানের চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল. কির্গিজিয়ার নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেছিল যে, চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই আফগানিস্তানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে উঠবে, মার্কিনীরা ঐ দেশ ছেড়ে চলে যাবে, এবং “মানাস” ঘাঁটি বন্ধ করা হবে. তবে, ২০১৪ সালের মধ্যে যদি তা না ঘটে, তাহলে, বাবানোভের কথায়, “এ কেন্দ্রের ভবিষ্যত্ সংক্রান্ত প্রশ্ন মীমাংসিত হওয়া উচিত যৌথ নিরাপত্তার চুক্তি সংস্থার দেশগুলির সঙ্ঘের কাঠামোতে”, জানিয়েছে “রিয়া নোভস্তি” সংবাদ সংস্থা. আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ এবং সেখানে শৃঙ্খলা স্থাপন করা উচিত্ আফগান কর্তৃপক্ষেরই, যোগ করে বলেন বাবানোভ. যৌথ নিরাপত্তার চুক্তি সংস্থা – এ হল সামরিক-রাজনৈতিক সঙ্ঘ, যা স্বাধীন রাষ্ট্রবর্গ গঠন করেছিল যৌথ নিরাপত্তার চুক্তির ভিত্তিতে, এবং তা স্বাক্ষরিত হয়েছিল ১৯৯২ সালের ১৫ই মে. এই যৌথ নিরাপত্তার চুক্তি সংস্থায় অন্তর্ভুক্ত আছে আর্মেনিয়া, বেলোরুশিয়া, কাজাখস্তান, কির্গিজিয়া, রাশিয়া, তাজিকিস্তান এবং উজবেকিস্তান.