উদ্ভাবনী কেন্দ্র স্কোলকোভায় প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের স্থাপত্য কৃষ্টির সংমিশ্রণ ঘটবে. উদ্ভাবনী নগরীর স্থাপত্যের প্ল্যান প্রস্তুত করছে জাপানের সানা ও হল্যান্ডের ওমা কোম্পানি গতকাল মস্কোয় তাদের প্রকল্প উপস্থাপণ করেছে.স্কোলকোভায় অবাধে প্রবেশ করার সুযোগ থাকবে. শুধুমাত্র পেট্রোলচালিত গাড়ির উপর বিধিনিষেধ থাকবে. ঐ রকম গাড়ি বিশেষ পার্কিংয়ে রেখে তার বদলে ইলেকট্রিক চালিত গাড়ি পাবার সুযোগ থাকবে. পদযাত্রী ও সাইকেলচালকেরা উদ্ভাবনী নগরীতে অবাধে চলাচল করতে পারবে. তাদের জন্য সবচেয়ে আকর্ষক হবে অতিথি এলাকা, যা প্রযুক্তি পার্ক ও ‘স্কোলকোভা’ বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঝে অবস্থান করবে. উক্ত এলাকা খানিকটা শপিং মলের মতো হবে. কিন্তু বাহ্যিক দিক থেকে দেখতে হবে অন্যরকম. স্থাপত্যবিদদের পরিকল্পনা মতো স্কোলকোভায় আসা যে কোনো ব্যক্তি তত্ক্ষণাত বুঝতে পারবে, যে তারা অন্য ধরনের এক শহরে প্রবেশ করেছেঃ যেখানে জীবনযাত্রার জন্য অপরিহার্য সবকিছু থাকবে, পরিবেশের উপর বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হবে.

      স্কোলকোভার ভূখন্ডের একাংশে জাপানের সানা কোম্পানির প্রকল্পমতো গম্বুজ নির্মাণ করা হবে. কাঁচ ও ইস্পাতের সূতো দিয়ে নির্মিত ঐ গম্বুজ ভেতরে বিশে, আবহাওয়া সৃস্টি করবে বলে বলেছেন সানা কোম্পানির প্রতিনিধি ইওসিটাকা টানাসে.

      আমরা যখন ঐ গম্বুজের প্ল্যান বানাই, তখন সেখানে ওজনহীনতার অনুভূতি তিরু করার চেষ্টা করেছি. স্থাপত্যশিল্পে এটা অভূতপূর্ব. আমরা চেয়েছি যে মেটেরিয়াল দিয়ে গম্বুজ বানানো হবে, যত সম্ভব কম লোকের মনোনিবেশ নষ্ট করে, যাতে মনে হয়, যে গম্বুজটা আছে, কিন্তু বাইরের আকার ছাড়াই. গ্রীস্মকালে উত্তাপ মাটিতে চলে যাবে আর শীতকালে উল্টে উত্তাপ মাটি থেকে উঠে আসবে. গ্রীস্মকালে রোদের হাত থেকে রক্ষা পাবার জন্য আমরা মেঘের মডেল বানানোর কথা ভাবছি.

     অতিথি এলাকার স্থাপত্যের প্ল্যান বানাচ্ছে হল্যান্ডের ওমা কোম্পানি. প্রকল্পের কাজ শুরু হয় গত জুন মাসে. ওমা কোম্পানির স্থাপত্যবিদ বলেছেন, যে ‘দ্য রক’ নামক অসাধারম বিল্ডিংটি দেখলে বাস্তবিকই বিশাল এক পাথরখন্ডকে মনে করিয়ে দেবে.