রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ভ্লাদিমির পুতিন চীনের রাষ্ট্রীয় পরিষদের প্রধানমন্ত্রী ভ্যান জিয়াবাওয়ের আমন্ত্রণে ১১-১২ই অক্টোবর চীনে কর্ম-সফরে যাবেন. এ সম্বন্ধে মঙ্গলবার জানিয়েছে রাশিয়ার সরকারের প্রেস-সার্ভিস. এ সফরের সময়ে পুতিন বিজিংয়ে রাশিয়া ও চীনের প্রধানমন্ত্রীদের ষোড়শ নিয়মিত সাক্ষাতে অংশগ্রহণ করবেন. তাছাড়া চীনা গণ-প্রজাতন্ত্রের সভাপতি হু জিনতাও এবং সর্বচীনা গণ-প্রতিনিধি সভার সভাপতি উ বাঙ্গো-র সাথে পুতিনের আলাপ-আলোচনা পরিকল্পিত. চীনে পুতিনের সফরের ফলাফলের ভিত্তিতে রাশিয়া ও চীনের মাঝে দু দেশের অর্থনীতির আধুনিকীকরণের ক্ষেত্রে সহযোগিতা সংক্রান্ত আন্তঃসরকারী স্মারকলিপি স্বাক্ষরের পরিকল্পনা আছে. পারস্পরিক বাণিজ্যের পরিমাণের দিক থেকে চীন হল রাশিয়ার প্রধান বহির্বাণিজ্যিক শরিক. ২০১০ সালের ফলাফল অনুযায়ী, রুশ-চীনা পণ্য-আবর্তন পৌঁছোয় ৫৯৩০ কোটি ডলারে, যা ২০০৯ সালের তুলনায় ৫০.৩ শতাংশ বেশি. ২০১১ সালের জানুয়ারী থেকে জুলাইয়ের মধ্যে পণ্য-আবর্তন পৌঁছেছে ৪৪৬০ কোটি ডলারে (যা ২০১০ সালের অনুরূপ সময়ের তুলনায় ৪৫.৮ শতাংশ বেশি). পারস্পরিক বাণিজ্যের হিসেব জাতীয় মুদ্রায় করার প্রয়োগনীতি প্রসারিত হচ্ছে, “রুবল-ইউয়ান” শেয়ার মার্কেট  ব্যবসার ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে. রাশিয়ায় সঞ্চয় বিনিয়োগের মোট পরিমাণের দিক থেকে চীন চতুর্থ স্থানের অধিকারী : ২০১০ সালের শেষ দিকে তার পরিমাণ ছিল ২৭৯৪ কোটি ডলার. ২০১০ সালে রাশিয়ার অর্থনীতিতে এসেছে ৭৬৩ কোটি ইউয়ানের চীনা বিনিয়োগ. বিগত এক দশকে রুশ-চীনা সম্পর্কে উভয় দেশ যথেষ্ট অগ্রগতি অর্জন করেছে সহযোগিতার প্রকৃতপক্ষে  সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ ধারায়, বলা হয়েছে রাশিয়ার সরকারের বিবৃতিতে. দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার আরও গভীরতা সাধন ও অগ্রগতির স্বার্থে মধ্যমেয়াদী পরিপ্রেক্ষিতে মানবতাবাদী ক্ষেত্রে রুশ-চীনা স্ট্র্যাটেজিক পারস্পরিক ক্রিয়াকলাপের “পথ নির্দেশ” প্রণয়নের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে.