আফগানিস্তানের কেন্দ্রীয় নির্বাচনী কমিশনের মতে, পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে নির্বাচিত না হওয়া প্রার্থী-প্রতিনিধিরা এবং তাদের শত শত পক্ষসমর্থক রবিবার কাবুলে ব্যাপক প্রতিবাদ আন্দোলন করেছে, জানিয়েছে “রিয়া নোভস্তি” সংবাদ সংস্থা. আফগানিস্তানে গত বছরের হেমন্তে অনুষ্ঠিত পার্লামেন্টারী নির্বাচনে কারসাজি, ঘুষ দেওয়া, পার্লামেন্টের আসন বিক্রির বহু ঘটনা ঘটেছিল. প্রধান অভিশংসক দপ্তর ঐ নির্বাচনকে বাতিল বলে ঘোষণা করে, কিন্তু রাষ্ট্রসঙ্ঘের দ্বারা সমর্থিত কেন্দ্রীয় নির্বাচনী কমিশন ঘোষণা করে যে নির্বাচন সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে. এ সঙ্কট মীমাংসার জন্য সর্বোচ্চ আদালত বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে, যা ভোট পুনর্গণনার পরে ঘোষণা করে যে ৬২ জন প্রতিনিধি বেআইনীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন এবং তাঁদের পার্লামেন্ট ত্যাগ করতে হবে. বিশেষ ট্রাইব্যুনাল ও কেন্দ্রীয় নির্বাচনী কমিশনের দীর্ঘ বিরোধিতার পরে রাষ্ট্রপতি হামিদ কার্জাই কেন্দ্রীয় নির্বাচনী কমিশনকে নির্দেশ দেন নির্বাচনের ফলাফলে পরিবর্তন আনার. কেন্দ্রীয় নির্বাচনী কমিশন সিদ্ধান্ত নেয় যে, ৬২ জন নয়, মাত্র ৯ জন প্রতিনিধির পার্লামেন্ট ত্যাগ করা উচিত. একজন “বিতাড়িত” প্রতিনিধি পার্লামেন্ট ভবনের সামনে আজ সপ্তম দিন অনশন ধর্মঘট করছে, এ কথা বলে যে, তাকে বেআইনীভাবে সরানো হয়েছে.