কায়রোর কেন্দ্রস্থলে কার্ফিউ জারি করা হয়েছে. স্থানীয় সময় রাত দুটো থেকে সকাল সাতটা পর্যন্ত টেলি-সেন্টারের অঞ্চলে, এবং তাছাড়া প্রধান তহরির স্কোয়ার ও তার আশপাশের এলাকায় লোক-চলাচল বন্ধ থাকবে. বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বিশৃঙ্খলা উপলক্ষে. রবিবার সন্ধ্যায় প্রায় ১০ হাজার খৃস্টান-কোপ্ট প্রতিবাদ আন্দোলনে টেলিভিশন ভবনের কাছে আসে. এ মিছিল শৃঙ্খলা-রক্ষকদের সাথে মিটিংকারীদের সঙ্ঘর্ষে পরিণত হয়. ফলে ২০ জনের উপর নিহত হয় এবং প্রায় ২০০ জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়. কায়রোতে গুলি-চালনার প্রতিবাদে শত শত লোক তহরির স্কোয়ারে সমবেত হয়. তাছাড়া জানানো হচ্ছে যে, যে হাসপাতালে ক্ষতিগ্রস্তদের আনা হয়েছে তার কাছেও খৃস্টান-কোপ্ট ও মুসলমানদের মাঝে সঙ্ঘর্ষ হয়েছে. প্রধানমন্ত্রী ইসাম শারাফ জনসাধারণের কাছে হিংসা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন. এই বিশৃঙ্খলার অজুহাত ছিল দেশের দক্ষিণাঞ্চলে ধর্মভিত্তিক সঙ্ঘর্ষ. কয়েক দিন আগে মুসলমানরা সেখানে পুরো নির্মাণ না হওয়া একটি গীর্জা লুঠ করে এবং পুড়িয়ে দেয়. কর্তৃপক্ষ ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে, তবে ঘোষণা করেছে যে, গীর্জা পুনর্নির্মাণ করা হবে না, কারণ তা বেআইনীভাবে নির্মিত হচ্ছিল.