মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামা আবার চীনের আর্থিক নীতির সমালোচনা করেছেন. বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে ওবামা বলেন, “চীন অতি আগ্রাসনী মনোভাব প্রকাশ করছে, নিজের স্বার্থে বাণিজ্যিক ব্যবস্থায় কারসাজির ক্ষেত্রে. আমি একাধিকবার এ সম্পর্কে খোলাখুলি বলেছি এবং চীনের কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিদের সাথে আলাপে একাধিকবার এ প্রশ্ন তুলেছি”. এ ধরণের “খেলার” সবচেয়ে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে তিনি অভিহিত করেন মুদ্রার ক্ষেত্রে কারসাজি. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি প্রতিশ্রুতি দেন যে, ইউয়ানের বিনিময়-মূল্য বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে আমেরিকা চীনের উপর চাপ দিয়ে যাবে. তিনি জোর দিয়ে বলেন, “চীনের কর্তৃপক্ষ মুদ্রার বাজারের ক্রিয়াকলাপে যে হস্তক্ষেপ করছে – এ ঘটনা সন্দেহাতীত, ইউয়ানের মূল্য এখন যা হওয়া উচিত্, তার চেয়ে কম. নিয়ম সকলের জন্য এক হওয়া উচিত্, এবং আমরা চীনের সাথে আলাপ-আলোচনায় এ প্রশ্ন তোলা চালিয়ে যাব”. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এ মত পোষণ করে যে, চীনের মুদ্রার বিনিময়-মূল্য কৃত্রিমভাবে কমিয়ে রাখা হচ্ছে. চীনের সাথে বাণিজ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঘাটতি বজায় রয়েছে ১৯৯০ সালের গোড়া থেকে, আর ২০১০ সালে তা ছিল সাড়ে ২৬ হাজার কোটি ডলার.