রাশিয়া ও চীন মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদে সিরিয়ার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত অবরোধ করার জন্য নিজেদের ভেটোর অধিকার ব্যবহার করেছে. সংবাদ এজেন্সি “ফ্রান্স প্রেস” জানিয়েছে যে, নিরাপত্তা পরিষদের ১৫টি সদস্যের মধ্যে ৯টি সদস্য সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে, যাতে সিরিয়ার কর্তৃপক্ষের দ্বারা দেশের জনগণের দমনের নিন্দে করা হয়েছে. নিরাপত্তা পরিষদের আরও চারটি সদস্য ভোটদান থেকে বিরত থেকেছে. রাশিয়া ও চীন রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হিসেবে নিজেদের ভেটোর অধিকার ব্যবহার করেছে সিরিয়ার বিরুদ্ধে একসারি পশ্চিম ইউরোপীয় দেশের দ্বারা প্রস্তাবিত সিদ্ধান্ত অবরোধ করার জন্য. ফেডারেল জার্মানি, গ্রেট-বৃটেন ও পর্তুগালের সমর্থনে ফ্রান্সের দ্বারা প্রস্তাবিত খসড়া সিদ্ধান্তে ৩০ দিনের মধ্যে সিরিয়ায় অত্যাচার বন্ধ করার দাবি করা হয়েছে. অন্যথায়, খসড়া সিদ্ধান্তে, সিরিয়ার বিরুদ্ধে “লক্ষ্যনিষ্ঠ ব্যবস্থা” গ্রহণ অনুমিত. এর প্রাক্কালে রাশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী গেন্নাদি গাতিলোভ “ইন্টারফাক্স” সংবাদ সংস্থাকে বলেন যে, রাশিয়া মনে করে সিরিয়া সংক্রান্ত খসড়া সিদ্ধান্ত অগ্রহণীয়, যাতে এ দেশের আভ্যন্তরীন ব্যাপারে হস্তক্ষেপ এবং বাধানিষেধ অনুমিত. ভোটদানের ফলাফল সম্পর্কে রাষ্ট্রসঙ্ঘে রাশিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি ভিতালি চুরকিন বলেন যে, ইউরোপীয় খসড়া সিদ্ধান্ত গৃহীত হলে সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরু হতে পারত. রাশিয়া সিরিয়ায় লিবিয়ার চিত্রনাট্যের পুনরাবৃত্তির বিরুদ্ধে মত প্রকাশ করে. নিজের তরফ থেকে রাষ্ট্রসঙ্ঘে চীনের স্থায়ী প্রতিনিধি লি বাওদুন রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদকে আহ্বান জানান সিরিয়ায় পরিস্থিতি সম্পর্কে সংযম প্রকাশ করার এবং এ দেশের আভ্যন্তরীন ব্যাপারে হস্তক্ষেপ এড়ানোর. লি বাওদুন বলেন, “আমরা সমস্ত পক্ষকে সংযম প্রকাশের আহ্বান জানাচ্ছি, যাতে সমস্ত রূপের হিংসা এবং আরও বেশি রক্তক্ষয় এড়ানো যায়”.