রাষ্ট্রসঙ্ঘের পূর্ণাধিকারী সদস্য হিসেবে প্যালেস্টাইনের স্বীকৃতির প্রক্রিয়া হবে জটিল, তবে বেশি বাস্তববাদী ধরণ হবে – এ দেশকে পর্যবেক্ষক-রাষ্ট্রের স্থিতি দেওয়া. এ সম্পর্কে রাশিয়ার “কমের্সান্ত” পত্রিকাকে প্রদত্ত ইন্টারভিউতে বলেছেন রাষ্ট্রসঙ্ঘে রাশিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি ভিতালি চুরকিন. রাশিয়ার কূটনীতিজ্ঞ জোর দিয়ে বলেন, “নতুন সদস্য গ্রহণের কমিটিকে নিরাপত্তা পরিষদের জন্য সুপারিশ প্রণয়ন করতে হবে : প্যালেস্টাইনকে রাষ্ট্রসঙ্ঘে গ্রহণ করা হবে কি না. এ পর্যায়ে তাতে যথেষ্ট জটিলতা দেখা দিতে পারে”. অন্য একটি ধরণও আছে – সাধারণ অ্যাসেম্বলির জন্য ইতিবাচক সুপারিশ প্রস্তুত করা এবং ভোট দানের জন্য তা পেশ করা. চুরকিন মনে করিয়ে দেন যে, রাশিয়া প্যালেস্টাইনকে রাষ্ট্রসঙ্ঘে গ্রহণের পক্ষে ভোট দেবে. নিরাপত্তা পরিষদে যদি ইতিবাচক ভোট হয়, তাহলে প্যালেস্টাইনীরা বিশ্ব জনসমাজের সমর্থন অনুভব করবে, এবং তা আলাপ-আলোচনার প্রক্রিয়াতে প্রেরণা দেবে. রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদে প্যালেস্টাইনী আবেদনের আলোচনা এবং প্যালেস্টাইন ও ইস্রাইলের মাঝে আলাপ-আলোচনা সমান্তরালভাবে চলতে পারে. প্যালেস্টাইনীরা আলাপ-আলোচনার সম্ভাবনা অস্বীকার করে না, তবে তাদের জন্য জানা গুরুত্বপূর্ণ, কি বিষয়ে আলাপ-আলোচনা চালানো হবে, যোগ করে বলেন চুরকিন.