রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যরা আপাতত সহমতে আসতে পারে নি সিদ্ধান্তের বয়ান সম্পর্কে, যার উদ্দেশ্য হল সিরিয়ায় কর্তৃপক্ষের দ্বারা সরকারবিরোধী প্রতিবাদ দমন বন্ধ করা. আশা করা হচ্ছে যে, শুক্রবার নিরাপত্তা পরিষদে নতুন খসড়া সিদ্ধান্ত পেশ করা হবে, জানিয়েছে “রিয়া নোভস্তি” সংবাদ এজেন্সি. রাষ্ট্রসঙ্ঘে রাশিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি ভিতালি চুরকিন বলেন, “আমাদের বিতর্ক-আলোচনা ভালই হয়েছিল, তবে দেখা যাক, কাগজে কি আসে, আর সমঝোতা অর্জনের জন্য আমরা যে প্রচেষ্টা চালিয়েছি তার ফল এতে প্রতিফলিত হয় কি না”. নিরপত্তা পরিষদের সদস্য দেশগুলির কূটনীতিজ্ঞরা এর প্রাক্কালে আশা করেছিলেন যে, এ সপ্তাহেই দুটি খসড়া সিদ্ধান্ত – রুশী ও ইউরোপীয় খসড়া সিদ্ধান্তগুলিকে একসঙ্গে মিলিয়ে ফেলা যাবে. তবে, বাধানিষেধ সংক্রান্ত মূলনীতিগত প্রশ্নে মতভেদ বজায় রয়েছে. ইউরোপীয় খসড়া সিদ্ধান্তে সিরিয়ার বিরুদ্ধে বাধানিষেধ গ্রহণের সম্ভাবনা অনুমিত. এ খসড়ায় চরম দাবি পেশ করা হয়েছে যে, ৩০ দিনের মধ্যে যেন দেশে অত্যাচার বন্ধ করার দাবি পালন করা হয়. রাশিয়ার পক্ষ সিরিয়াকে বাধানিষেধের ভয় দেখানোর বিরুদ্ধে মত প্রকাশ করে. মস্কো মনে করে যে, লিবিয়ার ভুলের পুনরাবৃত্তি করা যায় না, যেখানে রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের অনুমতিতে সামরিক ক্রিয়াকলাপ শুরু হয়েছিল, কিন্তু তা অত্যাচার বন্ধ করা এবং জনসাধারণকে রক্ষা করার কর্তব্যের কাঠামো ছাড়িয়ে গিয়েছিল.