স্ট্রাসবুর্গে ইউরো-পার্লামেন্টের মঙ্গলবারের বৈঠকে ইউরোসঙ্ঘের কূটনীতির প্রধান ক্যাথ্রিন অ্যাশটন বলেছেন যে, লিবিয়ার নতুন কর্তৃপক্ষের দেশে বিদ্যমান অস্ত্র ভান্ডারের উপর নিয়ন্ত্রণ স্থাপন করা উচিত. ন্যাটো জোটের ২৮টি সদস্য-দেশের প্রতিনিধিরা গত সপ্তাহে ব্রাসেলসে আরো তিন মাস – ২০১১ সালের ডিসেম্বরের শেষ পর্যন্ত লিবিয়ায় সামরিক অভিযান প্রলম্বিত করার ব্যাপারে সমঝোতায় এসেছে. লিবিয়ায় এ অভিযানের গতিতে জোটের বিমান বাহিনী জামাহিরির প্রাক্তন নেতা মুয়ম্মর গদ্দাফির বাহিনীর উপর আঘাত হানছে, আর নৌবাহিনী এ দেশে অস্ত্র সরবরাহের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রসঙ্ঘের বাধানিষেধ পালন সুনিশ্চিত করছে. ফেব্রুয়ারী মাসের মাঝামাঝি থেকে লিবিয়ায় ৪০ বছরের উপর দেশ শাসন করা গদ্দাফির অপসারণের দাবিতে ব্যাপক গণ-মিছিল শুরু হয়, যা পরে পরিবর্তিত হয় সরকারী বাহিনী ও বিদ্রোহীদের মাঝে সশস্ত্র বিরোধে.