ভারত ফ্রান্সের কাছে থেকে আরেভা কোম্পানীর রিয়্যাক্টর কেনা আপাততঃ স্থগিত রেখেছে, যতদিন না সার্টিফিকেশনের কাজ সম্পূর্ণ হয়. দিল্লী থেকে দাবী করা হয়েছে নিরাপত্তার বিষয়ে বাড়তি ব্যবস্থা নেওয়ার, যা ফুকুসিমা বিপর্যয়ের পর থেকে বর্তমানে বিশ্বের সমস্ত ধরনের রিয়্যাক্টর ব্যবস্থার জন্যই নেওয়া হচ্ছে. এই বিষয়ে খবর দিয়েছে মঙ্গলবারে ভারতের হিন্দু সংবাদ পত্র. এই খবরের কাগজের দৃষ্টিকোণ থেকে ফ্রান্সের পারমানবিক চুল্লী আরও ভাল হওয়া দরকার. ভারতের পশ্চিম উপকূলে জৈতাপুরে ৯৯০০ মেগাওয়াট শক্তি সম্পন্ন পারমানবিক বিদ্যুত কেন্দ্র বিশ্বে সবচেয়ে বড় কেন্দ্র হওয়ার প্রকল্প, মহারাষ্ট্র রাজ্যে এই ধরনের প্রকল্প করার জন্য দ্বিপাক্ষিক ভাবে সরকারি চুক্তি ২০১০ সালের ডিসেম্বরে ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি নিকোল্যা সারকোজির সস্ত্রীক ভারত সফরের সময়েই করা হয়েছিল. ছয়টি ১৬৫০ মেগাওয়াটের রিয়্যাক্টর এই কেন্দ্রের জন্য ফ্রান্সের আরেভা থেকে নেওয়ার কথা হয়েছিল. প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী. এই পারমানবিক কেন্দ্র চালু হওয়ার কথা ছিল তিনটি পর্যায়ে, প্রতিবারে একই সঙ্গে দুটি রিয়্যাক্টর চালু করা দিয়ে, ২০১৮ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে. জাপানের পারমানবিক বিদ্যুত কেন্দ্রে বিপর্যয়ের পরে জৈতাপুরে স্থানীয় লোকেরা এই প্রকল্পের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে. আরও একটি কারণ হয়েছে এই প্রকল্পকে আবার পর্যালোচনার ভারতের উত্তর পূর্বে প্রবল ভূমিকম্পের ফল, যা প্রাথমিক হিসাবেই প্রায় একশো লোকের প্রাণ হানীর কারণ হয়েছে. ভারতে বর্তমানে ২০টি পারমানবিক চুল্লী কাজ করছে, তার মধ্যে পাঁচটি রয়েছে, এমন জায়গায়, যেখানে ৬, ৯ মাত্রার ভূমিকম্প হওয়া সম্ভব.