অন্তর্বর্তীকালীন জাতীয় পরিষদের প্রধান মুস্তাফা আব্দুল জলিল ত্রিপোলিতে ঘোষণা করেছেন, যে লিবিয়ার নতুন শাসক শ্রেণী চরমপন্থী মতাদর্শ গ্রহণ করবে না, দেশ নরমপন্থী মুসলিম গণতন্ত্রে পরিণত হবে. অন্যদিকে কর্ণেল মুয়াম্মার গদ্দাফি সিরিয়ার দূরদর্শন চ্যানেল আল-রাইয়ের মাধ্যমে তার অনুগতদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়েছেন. তিনি পুণরায় বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম চালিয়ে যাবার আহ্বাণ জানিয়েছেন. অন্তর্বর্তীকালীন জাতীয় পরিষদ লিবিয়ার অধিকাংশ এলাকার ওপর দখল কায়েম করলেও, গদ্দাফির সমর্থকেরা এখনো সির্ত এবং বানি-ওয়ালিদ নামক দুটি শহরের ওপর তাদের অধিকার বজায় রেখেছে.