0দুশানবে শহরে পরবর্তী কালে অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে গভীর করাকে প্রধান কাজ ও অবাধ বাণিজ্য এলাকা পরিনত করার কাজ কে মূখ্য বলে ঘোষণা করেছেন স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহের নেতারা. মৈত্রী পরিষদের গত ২০ বছরের কাজের প্রধান সাফল্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে পারস্পরিক কাজের জন্য পরিস্থিতি তৈরী করা, যা প্রতিটি সদস্য দেশের জাতীয় স্বার্থের অনুকূল. প্রত্যেক পক্ষই এখানে সন্ত্রাসবাদ, চরম পন্থা, বেআইনি অভিবাসন, মানুষ বেচা কেনার কারবার ও মাদক পাচারের মোকাবিলার বিষয়ে সহযোগিতা চালিয়ে যেতে ইচ্ছা প্রকাশ করেছে, আর তারই সঙ্গে স্বাধীন রাষ্ট্র সমূহের জনগনের জীবন যাত্রার মান উন্নয়নের কথা বলেছে. এই বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা আকাশ প্রতিরক্ষা বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ও মহান পিতৃভূমির যুদ্ধে সকলের অংশ গ্রহণের ঐতিহ্য ও স্মৃতি রক্ষার বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে. রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দিমিত্রি মেদভেদেভ বলেছেন যে, এই মৈত্রী পরিষদের কোন ব্যতিক্রম হতে পারে না.