বাংলাদেশ ও ভারত আগামী সপ্তাহে “ছিটমহল চুক্তি” স্বাক্ষর করবে, যা অনুযায়ী ১৬২টি এলাকা বিনিময় করা হবে, বলেছেন ঢাকার এক সরকারী ব্যক্তি. বহুকাল ধরে বিদ্যমান থাকা সীমান্ত সমস্যা মীমাংসার জন্য উভয় পক্ষ এ বিনিময়ে সম্মত হতে চান ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রীমনমোহন সিংয়ের দু দিনের ঢাকা সফরের সময়, যা শুরু হবে ৬ই সেপ্টেম্বর. বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জি. রিজভি সোমবার সন্ধ্যায় “এ.এফ.পি” সংবাদ সংস্থাকে বলেন, “আমরা সমস্ত সীমান্ত সমস্যা মীমাংসার চেষ্টা করছি, যাতে মনমোহন সিংয়ের সফরের পরে এ ধরণের প্রশ্ন না থাকে”. শত শত বছর আগে স্থানীয় রাজাদের মালিকানা সংক্রান্ত সমঝোতার ফলে দেখা দেওয়া এ সমস্যা দুটি বিভাজনের সময়ও মীমাংসিত হয় নি, প্রথমে ১৯৪৭ সালে এ উপমহাদেশে বৃটিশ শাসন শেষ হওয়ার সময় এবং পরে ১৯৭১ সালে পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়. গত মাসে উভয় দেশ মিলিতভাবে এসব অঞ্চলে জনসংখ্যার গণনা করে এবং দেখে যে, এ সব অঞ্চলে বাস করে ৫০ হাজারেরও বেশি লোক, যেখানে তারা নিত্য প্রয়োজনীয় সেবা পায় না, কারণ তারা রয়েছে নিজেদের জাতীয় সরকার থেকে বিচ্ছিন্নভাবে. রিজভি বলেন, “সবকিছু করা হবে এ সব অঞ্চলের লোকেদের ইচ্ছার ভিত্তিতে, জোর করে কিছু করা হবে না”. তিনি যোগ করে বলেন যে, এ সব জায়গার লোকেদের নিজেদের জাতীয় সত্ত্বা বেছে নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে. এ সব এলাকায় কোনো চিহ্নিত সীমা নেই কিন্তু এসব জায়গার বাসিন্দাদের চলাফেরা প্রায়ই সীমিত করে সীমান্ত চৌকি. রিজভি বলেন যে নদীর জল বন্টন, রেল ও স্থল পথের ট্রানজিট এবং ভারত থেকে বিদ্যুত্শক্তির আমদানিও মনমোহন সিংয়ের সফরের সময় আলোচ্যসূচিতে থাকবে. ভারত ও বাংলাদেশের মাঝে সম্পর্কের উন্নতি হয় ২০০৯ সাল থেকে, বাংলাদেশে ধর্ম-নিরপেক্ষ আওয়ামী লীগ পার্টির ক্ষমতায় আসার পরে. ভারতও তার প্রতিবেশীদের সাথে সম্পর্ক উন্নত করতে চায় চীনের আঞ্চলিক ক্ষমতা বৃদ্ধির সাথে ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য.