চিনে গ্রাহক মূল্য জুন মাসে ৬, ৪ শতাংশ বাড়ার পরেও জুলাই মাসে আরও ৬, ৫ শতাংশ বেড়েছে. চিনের সরকারি উত্স থেকেই এই তথ্য পাওয়া গিয়েছে. বিশেষজ্ঞদের পূর্বানুমানের চেয়েও মূল্য বৃদ্ধি বেশী হয়েছে ও বাজারে অপেক্ষা রয়েছে যে, চিনের প্রশাসন দেশের আর্থ বিনিয়োগ ব্যবস্থাকে আরও কঠোর করবেন, লিখেছে মার্কেট ওয়াচ. জুলাই মাসের এই দাম বাড়া গত তিন বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশী. চিনে ২০১১ সালে দাম বাড়ার সূচক শতকরা ৪ শতাংশ. চিন স্বীকার করেছে যে, সরকারের নেওয়া লক্ষ্য অতিক্রম করে মূল্য বৃদ্ধি হয়েছে. কিন্তু যেহেতু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে ঋণ সঙ্কট চলছে, তাই সকলেই অপেক্ষা করে রয়েছেন যে, চিনের জাতীয় ব্যাঙ্ক সুদের হার বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেবে না. এই ধরনের মূল্য বৃদ্ধি চিনের রিজার্ভ ব্যাঙ্ককে সুদের হার বাড়াতে বাধ্য করতেই পারত. কিন্তু, বিনিয়োগের বাজারে বর্তমানের বিশৃঙ্খল অবস্থা দেখতে পেয়ে সম্ভবতঃ ব্যাঙ্ক তা মুলতুবি রাখবে, সোসাইটি জেনেরালে ব্যাঙ্কের ওয়েই ইয়াও তাই মনে করেছেন.

    চিনের জাতীয় ব্যাঙ্ক ২০১০ সালের অক্টোবর মাসের পর থেকে পঞ্চম বার এর মধ্যেই সুদের হার বাড়িয়ে দিয়েছে . এই সময়ের মধ্যে তারা দেশের ব্যাঙ্ক গুলির জন্য জমা রাখার পরিমানও ১২ গুণ বাড়িয়েছে, মনে করিয়ে দিয়েছে ইন্টারফ্যাক্স সংস্থা.