ডেভিড ক্যামেরন ছুটি না কাটিয়ে ফিরে এসেছেন, যাতে লন্ডনে আইন শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও ভাঙচুর বন্ধ করার জন্য শক্তি প্রয়োগকে আরও সংহত করা সম্ভব হয়. মঙ্গলবার তিনি জরুরী পরিষদ কোবরা বৈঠক পরিচালনা করবেন. শনিবারে সন্ধ্যায় লন্ডন শহরের উত্তরে টোটেনহ্যাম এলাকায় গণ্ডগোলের সূত্রপাত হয়েছিল, রবিবারে এই গোলমাল শহরের অন্যান্য উত্তর ও উত্তর পূর্ব ও দক্ষিণের অঞ্চল গুলিতে ছড়িয়ে পড়ে ও আবার সোমবার সন্ধ্যায় শহরের পূর্ব দিকে জ্বলে উঠেছে. এই গণ্ডগোল শুরু হয়েছিল এক কালো মানুষকে পুলিশের হত্যার প্রতিবাদ হিসাবে. দুর্বৃত্তদের সঙ্গে লড়াইতে ইতিমধ্যেই ৩৫ জন মতো পুলিশ কর্মী আহত হয়েছে. লন্ডনের গণ হারে গোলমাল দেশের অন্যান্য শহরেও ছড়িয়ে পড়েছে. মঙ্গলবার ভোর রাতে বার্মিংহ্যাম ও লিভারপুলেও ভাঙচুর হয়েছে. আক্রমণাত্মক মনোভাব নেওয়া যুবকের দল দোকান পাট ও রেস্তোরার দরজা জানালা ভেঙে দিয়েছে, গাড়ী জ্বালিয়ে দিয়েছে. খোদ লন্ডনে গোলমাল থামছেই না. গ্রেট ব্রিটেনের রুশ রাজদূতাবাস রুশ নাগরিকদের শহরের প্রান্তিক এলাকা টোটেনহ্যাম, এনফিল্ড, ব্রিকস্টন ইত্যাদি জায়গা গুলিতে যেতে বারণ করেছে. গোলমালে অংশ নেওয়ার জন্য দুশোরও বেশী লোককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে.