নিজেদের তৈরী প্রশাসনকেই পদত্যাগ করতে বাধ্য করেছে লিবিয়ার অস্থায়ী জাতীয় সভা, খবর জানিয়েছে ফ্রান্স প্রেস. অস্থায়ী জাতীয় সভার প্রধান আবদেল জালিল ১৫ সদস্য বিশিষ্ট মন্ত্রীসভার পুনর্গঠন করতে নির্দেশ দিয়েছেন. নতুন সরকার গঠন করবেন মাহমুদ জিব্রাইল, যিনি বাস্তবে প্রধানমন্ত্রী ও বেনগাজি শহরে যাঁকে মনে করা হয় দ্বিতীয় মুখ্য ব্যক্তি হিসাবে. অনেক বিশেষজ্ঞই এই ধরনের সিদ্ধান্তের কারণ হিসাবে দেখেছেন বিদ্রোহীদের প্রাক্তন সেনা সর্বাধিনায়ক জেনেরাল ইউনুস এর হত্যা. জেনেরাল মারা যাওয়ার পরে বিরোধীদের মধ্যে ঐক্য সম্বন্ধে সন্দেহ উদ্রেক হয়েছিল, তাদের বর্তমানের ও ভবিষ্যতের রাজনীতি নির্ধারণের ক্ষমতা নিয়ে.

পনেরোই জুলাই তিরিশটিরও বেশী দেশ, তার মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও রয়েছে, মুহম্মর গাদ্দাফির সরকারকে বেআইনি স্বীকার করেছে ও বাস্তবে লিবিয়ার জনগনের আইন সঙ্গত প্রতিনিধি হিসাবে বিদ্রোহী দের তৈরী অস্থায়ী জাতীয় সভাকে স্বীকার করে নিয়েছে.