জাপান সফরে গিয়ে বান গী মুন সোমবারে ফুকুসিমা অঞ্চলের লোকেদের সঙ্গে দেখা করেছেন, যাঁরা বর্তমানে উদ্বাস্তু. মার্চ মাসে ফুকুসিমা – ১ পারমানবিক কেন্দ্রের বিপর্যয়ের পরে প্রায় আশি হাজার লোককে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল. ফুকুসিমা শহরের এক খেলাধূলার জন্য স্টেডিয়ামে, যেখানে প্রায় ৩০০ উদ্বাস্তু বর্তমানে রয়েছেন, সেখানে বান গী মুন গিয়েছিলেন. মহাসচিবের কোটে একটি ব্যাজ ছিল, যাতে লেখা ফুকুসিমা লড়াই চালিয়ে যাও!, তিনি চেষ্টা করেছেন মানুষ জনকে সেখানে আশা দিতে. জাপান অবশ্যই আবার নতুন করে বেঁচে উঠবে – বলেছেন মহাসচিব. তিনি সেখানে বলেছেন যে, সেপ্টেম্বর মাসে বিশ্বের নেতৃত্ব স্থানীয় লোকেদের বৈঠক হবে. তাঁরা ঠিক করেছেন পারমানবিক শক্তি সম্বন্ধে নিয়মাবলী কি করে আরও কড়া করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করার, যাতে তা আরও নিরাপদ হতে পারে.

    ১১ই মার্চের ত্সুনামি ও প্রবল ভূমিকম্পের পরে প্রায় ষোল হাজার জাপানী মারা দিয়েছে. এখন অবধি প্রায় পাঁচ হাজার লোককে নিরুদ্দেশ ঘোষণা করে রাখা হয়েছে. এই বিপর্যয়ের ধাক্কাতেই মার্কিন প্রযুক্তিতে বহু প্রাচীন এক পারমানবিক রিয়্যাক্টর নষ্ট হয়ে গিয়ে বাতাসে তেজস্ক্রিয় বিকীরণ ছড়িয়ে দিয়েছিল, যা মাটি, জল ও বাতাসের সর্বত্রই রয়েছে. এই কেন্দ্রের চারপাশের তিরিশ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের জায়গা থেকে প্রায় আশি হাজার মানুষকে সরিয়ে নিয়ে যেতে হয়েছে. এখানের সব্জী, মাংস, দুধ ও অন্যান্য সকল খাবারেই পারমানবিক বিকীরণ ধরা পড়েছে.