রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি দিমিত্রি মেদভেদেভ রুশ লোকসভায় দক্ষিণ অসেতিয়া দেশে রুশ সামরিক ঘাঁটি সংক্রান্ত চুক্তি গ্রহণের জন্য প্রস্তাব করেছেন. দক্ষিণ অসেতিয়া দেশে যৌথ সামরিক ঘাঁটি সংক্রান্ত চুক্তি মস্কো শহরে ৭ই এপ্রিল ২০১০ সালে স্বাক্ষরিত হয়েছিল. রাশিয়ার পার্লামেন্টের দুই কক্ষেই এই চুক্তি গৃহীত হওয়া দরকার, রুশ প্রজাতন্ত্রের যে কোন দেশের সঙ্গেই চুক্তি, যে ভাবে গৃহীত হয়ে থাকে. ক্রেমলিনের তথ্য ও জনসংযোগ দপ্তর থেকে এই খবর জানানো হয়েছে.

২০০৮ সালের আগষ্ট মাসের শেষে রাশিয়া দক্ষিণ অসেতিয়া ও আবখাজিয়া দেশের সার্বভৌমত্ব স্বীকার করেছিল, দ্বিপাক্ষিক ভাবে মৈত্রী ও সহযোগিতার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল. এই চুক্তির ভিত্তিতেই এই দুই দেশে রুশ বাহিনী বর্তমানে ঘাঁটি স্থাপন করেছে. সেখানে নিয়মিত ভাবে মহড়া ও সামরিক প্রশিক্ষণ চালু রয়েছে. আবখাজিয়াতে সপ্তম দক্ষিণ সামরিক এলাকার সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, দক্ষিণ অসেতিয়া দেশে চতুর্থ ঘাঁটি. এই চুক্তির ফলে দুই দেশের মধ্যে সামরিক বাহিনী ব্যবহারের নিয়মাবলী তৈরী হয়েছে, তা রুশ প্রজাতন্ত্র ও দক্ষিণ অসেতিয়ার নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য করা হয়েছে. এই চুক্তির ফলে আরও সম্ভব হয়েছে সামরিক ঘাঁটি, সেনা বাহিনী, তাদের পরিবার পরিজনের জন্য ব্যবস্থা, সমস্ত স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি সম্বন্ধে নিয়ম কানুন তৈরী করা.

জর্জিয়ার সেনা বাহিনী ২০০৮ সালের ৮ই আগষ্ট ভোর রাতে বিনা ঘোষণায় দক্ষিণ অসেতিয়া আক্রমণ করেছিল ও সেই দেশের রাজধানী স্খিনভাল শহরের একাংশ ধ্বংস করে দিয়েছিল. রাশিয়া, দক্ষিণ অসেতিয়ার জনগনকে রক্ষার উদ্দেশ্যে, যাঁদের অনেকেই সেই সময়ে রুশ নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছিলেন, সেই দেশে বাহিনী প্রেরণ করে পাঁচদিন যুদ্ধের পরে জর্জিয়ার সেনা দলকে ফিরে যেতে বাধ্য করেছিল এই দেশের সীমানা ত্যাগ করে. যুদ্ধে ৩৮৭ জনের প্রাণ গিয়েছিল.